ইসলামের ইতিহাস

ব্রাজিলেও থেমে নেই ইসলামের অগ্রযাত্রা!

ব্রাজিল হচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম ক্যাথলিক অধ্যুষিত দেশ। মিনি বিকিনি, জ্যাকালো কার্নিভাল ও স্বল্প বসনা তরুণীদের সাম্বা নাচের জন্য অধিকতর পরিচিত দেশটিতে মুসলমানদের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। দশকের পর দশক ধরে এখানে লিবীয়, ফিলিস্তিনি ও সিরীয় মুসলমান পরিবার বসবাস করছে।
.
ব্রাজিলের আদমশুমারিতে মুসলমানদের আলাদাভাবে গণনা করা হয় না। শুধু ক্যাথলিক, ইভানজেলিক্যাল, ইহুদি, অতিপ্রকৃতবাদী ও আফ্রো-ব্রাজিলীয় ধর্মের অনুসারীদের গণনা করা হয়। যদিও বেসরকারি হিসাব মতে, ব্রাজিলে প্রায় ১০ লাখ মুসলমানের বাস। তারপরও দেশটিতে যে ইসলামের দ্রুত প্রসার ঘটছে তার বড় প্রমাণ হচ্ছে, মসজিদের সংখ্যা বাড়ছে। এখন দেশটিতে মসজিদের সংখ্যা হচ্ছে ১২৭। ২০০০ সালের তুলনায় এ সংখ্যা চারগুণ বেশি। ২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে হামলার পর ইসলামের ব্যাপারে মানুষের মনে আগ্রহ বৃদ্ধি পায় এবং অনেকেই ইসলাম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়।
.
ব্রাজিল হচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম ক্যাথলিক অধ্যুষিত দেশ। মিনি বিকিনি, জ্যাকালো কার্নিভাল ও স্বল্প বসনা তরুণীদের সাম্বা নাচের জন্য অধিকতর পরিচিত দেশটিতে মুসলমানদের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। দশকের পর দশক ধরে এখানে লিবীয়, ফিলিস্তিনি ও সিরীয় মুসলমান পরিবার বসবাস করছে। তারা দৈনন্দিন জীবনে ইসলামের অনুসরণ করে থাকেন। এখানকার মুসলমানেরা ঐতিহ্যবাহী লম্বা পোশাক পরেন। এবং নতুন করে কেউ মুসলমান হলে নাম পাল্টিয়ে তিনি ইসলামি নাম রাখেন। আর মেয়েরা ইসলামে দীক্ষিত হওয়ার পর হিজাব পরা শুরু করেন।
.
রিওডি জেনেরোর উত্তর শহরতলী টিজুকায় তারা যে মসজিদে নামাজ আদায় করেন মুসলমানেরা সে মসজিদে ৪০০ মুসল্লির নামাজের স্থান সংকুলান হবে।
.
নাইন ইলেভেনে যুক্তরাষ্ট্রে হামলার পর ইসলাম সম্পর্কে জানার আগ্রহ এখানে বেড়েছে। ব্রাজিলের বেনিফিসেন্ট মুসলিম সোসাইটি (এসবিএমআরজে) মুখপাত্র সামি ইসবেল বলেন, এদেশে মুসলমানের সংখ্যা বাড়ছে এবং এর মধ্যে অধিকাংশই ব্রাজিলীয় নওমুসলিম। আমরা অনলাইনেই অধিকাংশ সদস্য সংগ্রহ করি। রিওডি জেনেরোতে ৫০ মুসলিম পরিবার বসবাস করছে। তাদের শতকরা ৮৫ ভাগই ব্রাজিলীয় নওমুসলিম। তবে সাও পাওলো রাজ্য ও ব্রাজিলের দক্ষিণাঞ্চলের পরিস্থিতি ভিন্ন। সেখানকার মুসলমানরা এদেশে জন্মগ্রহণ করলেও তাদের পূর্বপুরুষরা ছিল আরব।
.
‪#‎দেশে_দেশে_ইসলাম‬
‪#‎দেশে_দেশে_ইসলাম_ও_মুসলিম‬

মতামত দিন