ইসলামিক গল্প

এই কান্না কোন বিশ্বকাপ জেতার আনন্দে নয়, এই কান্না হলো অন্ধকার থেকে আলোর পথে আসার!

এই কান্না কোন বিশ্বকাপ জেতার আনন্দের কান্না নয়,, এই কান্না কোন এম পি বা মিনিস্টার হওয়ার খুশির কান্না নয়, এই কান্না কোন পরিক্ষায় ফাস্ট হওয়ার খুশির কান্না নয়, এই কান্না কোন প্রতিযোগিতায় জেতার আনন্দের কান্না নয়, এই কান্না হলো অন্ধকার থেকে আলোর পথে আসার কান্না, এই কান্না হলো দ্বীনের আনন্দের কান্না, এই কান্না হলো আল্লাহকে পাওয়ার কান্না, এই কান্না হল মনের আত্নত্রিপ্তির কান্না, এই কান্না হলো ভুল পথ থেকে সঠিক পথে আসার কান্না, এই কান্নার চোখের পানির মুল্যো সারা দুনিয়ার সবথেকে বেশি।

আর এই রকম হাজারো কান্না যার অছিলায় আল্লাহ তায়ালা এনে দিয়েছেন, এই রকম হাজারো, লাখো , লাখো দ্বীনের আনন্দের কান্না,আল্লাহকে পাওয়ার কান্না,মনের আত্নত্রিপ্তির কান্না,ভুল পথ থেকে সঠিক পথে আসার কান্না, যার মাধ্যোমে আল্লাহ তায়ালা করিয়েছেন, সেই লোকটা হোলো বর্তমান সময়ের সবথেকে বড় দ্বীনের দায়ী, যাকে দেখলে ইহুদি,খৃষ্টানের মাথা ঘুড়ায়, সে হলো ডাঃজাকির নায়েক। পৃথিবী্তে এই একটা মাত্র মানুষ যাকে দেখলেই মনের ভিতর থেকে দোয়া বের হয়ে আসে যে আল্লাহ তুমি এই মানুষ্টকে আরো বেশি করে ইসলাম খেদমত করার তৌফিক দান করো ।একজন ডাক্তার হয়েও যে দ্বীনের কাজ করা যায় , মানুষ্কে ভুল পথ থেকে সঠীক পথে আনা যায় ,তিনি তা দেখিয়ে দিয়েছেন। আর কিছু লোক এবং কিছু আলেম, আসলে তাদের আলেম বললে ভুল হবে, তারা ডাঃজাকির নায়েকেকে বলে সে নাকি ইহুদিদের দালাল। তাদের কাছে আমার প্রশ্ন যে ইহুদিদের দালাল কি কখনো কোরান, হাদিস থেকে রেফারেঞ্চ দিয়ে কথা বলে? ইহুদিদের দালাল কি কখনো কোন হিন্দুকে, অমুসলিমকে, খৃষ্টান কে কি কখনো মুসলমান বানাবে? ইহুদিদের দালাল কি কখনো মানুষককে দ্বীনের কথা বলবে??????

একটা মানুষ যদি টাই পড়ার কারনে যদি ঈহুদির দালাল হয় তাহলে তো বাংলাদেশের ৯০% লোক ইহুদির দালাল। কোরান, হাদিস এমন কি ইহুদি , খৃষ্টানের বই তেও লিখা নাই যে টাই ইহুদি , খৃষ্টানের প্রতিক, । তাহলে বাস, ট্রেন, বিমান, মোবাইল, আরো অনেক কিছুই আছে যা আমরা ব্যাবহার করি তা সবি ইহুদি আর খৃষ্টান দের বানান,তাহোলে সেগুল ব্যাবহার করলে ইহুদি,খৃষ্টানের দালাল হবে না??? যারা আজ ডাঃ জাকির নায়েক কে ইহুদির দালাল বলে গালি দিচ্ছেন তাদের বলতে চাই ডাঃ জাকির নায়েকের কথা কোটি কোটি মানুষ শুনে, আপনার কথা কতজন শুনে?। আপনি কয়টা ইহুদুকে,খৃষ্টানেকে ,হিন্দুকে, অমুসলিম কে মুসলমান বানাইছেন?। ডাঃ জাকির নায়েকে ৩০ মিনিট বক্তব্য দিলে শত শত অমুসলিম কালেমা পাঠ করে মুসলমান হয়,। নিজে যেটা পারবেন না অন্যেকে সেটা করতে বাধা দেন কেন?? হিংসা হয় নাকি? একজন মানুষকে কলেমা পড়ে মুসলমান বানান হলো সারা দুনিয়ার সমস্ত কাজের থেকে অনেক ভালো এবং দামী। আর এই মানুষ্টাকে কিছু ধর্ম ব্যাবসায়ি বলে ইহুদির দালাল আর তার সাথে সাথে আমরা কিছু মানুষ চিলে কান নিয়ে যাওয়ার মতো না যেনে না শুনে তাদের কথার সাতে তাল দিয়ে আমরাও বলি।

আসল কথা তা না , আসল কথা টা হলো সারা জীবন ভালো কাজের, দ্বীনের দাওয়াতের কাজের বিরোধিতা করে আসছে ,এবং কিয়ামত প্রযন্ত করে আসবে, শুধুযে ইহুদি,খৃষ্টান রাই যে শুধু বাধা দিবে তা কিন্তু না। বাদশা মন্সুর কিন্তু সারা জীবন নামায পড়তেন, এমনকি তিনি হজ্জ প্রযন্ত করেছিলেন , কিন্তু তিনি ইমাম আবু হানিফাকে বাধা দিয়েছিলেন সত্যের প্রচার বন্ধ করার জন্যে । ঠীক তেমনি এখন কিছু বাদশা মন্সুরের বংশধর আছে যারা উপরে উপরে ভালো মানষের লিবাস পরে বেড়াই, নামায পড়ে, আবার বলে যে ইহুদির দালাল…আসলে সে হলো একটা শয়তানের খালাতো ভাই। তারা কি নবীর এই হাদিস টা জানেনা যে “”নবী করীম সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন : তুমি যা বলেছ তা যদি তার মধ্যে থাকে, তুমি তার গীবত করলে; আর সে দোষ যদি তার মধ্যে না থাকে তবে তো তুমি তার ওপর বুহতান বা মিথ্যা দোষারোপ করলে, যা গীবত থেকে অধিক দোষনীয়।“”[মুসলিম/৬৩৫৭-আবূ হুরাইরা (রাঃ), বুখারী/৫৬১৩, আবূ দাঊদ/১৭৯৯]

কারো অনুপস্থিতিতে এমন কিছু বলা যা শুনলে সে ব্যথিত হয় তাকে গীবত বলে এবং কোন লোক যদি কোন কাজ না করে এবং সে যদি তা না হয় কিন্তু কেও যদি তার বাপারে তা বলে বেড়ায় তাহলে তাকে বলে “তহমত’”। তহমত গীবতের থেকেও ভয়ঙ্কর। রসুল (সাঃ) বলেছেন যে কেও যদি কার ব্যাপারে তহমত করে বেড়ায় তাহলে সেটা তার উপর বর্তায়। এবং সে তা হয়ে মারা যাবে””

ডাঃ জাকির নায়েক যখন বলল যে ইসলাম সেরা , আল্লাহি একমাত্র ইলাহ, মুহাম্মাদ(সাঃ) আমাদের নবী। তখন তারা বল্ল যে টিক আছে ,কিন্তু যখন ডাঃ জাকির নাইয়েক বলল যে কবর পুজা, পীর পুজা, মাজার পুজা, মিলাদ, কোরান ক্ষানি, ধর্মের নামে এইসব ব্যাবসা করা যাবে না ,তখন আমাদের দেশের এক শ্রেনীর আলেম যারা ধর্মের নামে এইসব ব্যাবসা করে ,তাদের মাথা খারাপ হলো ,তখন তারা দেখলো যে ডাঃ জাকির নায়েক কে না সরালে তো আমাদের ব্যাবসা হচ্ছে না, ঠিক যেমন করে বাদশা মন্সুর ইমাম আবু হানিফাকে দোষারোপ কররেছিলেন। আপনি ইসলামের কথা, হক কথা, ভালো কথা বললে মানুষ আপনার বিরুদ্ধে কথা বলবে, আপনাকে গালি গালাজ করবে, লোকে আপনাকে অপছন্দ করবে এটাই সাভাবিক। কারন আমাদের প্রিয় নবীকেও প্রর্যন্ত ওরা ছাড়ে নাই। তার নামে নানা অপবাদ দিছে, তাকে পাগল বলেছে, তাকে জেলে দিয়েছে, তাকে যাদুকর বলেছে, তাকে শারিরিক অত্যচার করেছে, মানষিক অত্যচার করেছে। শুধু নবী না। আবু বক্কর, আলী, ওসমান, বেলাল, ইমাম আবু হানিফা, ইমাম মালেক, আরও অনেকে আছে,। তাই ইসলামের দাওয়াত দিতে গেলে মানুষ খারাপ বলবে, মানুষ আপনার বিরোধিতা করবে। হযরত ইব্রাহিম (আ) কে আগুনে দিছিল এই ইসলামের দাওয়াত দেওয়ার কারনে। হয্রত মুসা (আ) এর কথা তো জানেনি। তাই ইসলামের দাওয়াত দিতে গেলে আপনাকে গালি খেতে হবে, মার খেতে হবে,অপবাদ শুনতে হবে,। কিন্তু তাই বলে তো আর ইসলামের দাওয়াত বন্ধ করে দেওয়া যাবে না। যেকোনো পরিস্তিতিতে ইসলামের দাওয়াত দিতে হবে। আর ইসলামের দাওয়াত দিতে গেলে কোন মাদ্রাসা থেকে ডিগ্রি লাগে না। আপনি যে একটি আয়াত জানেন সেটিই প্রচার করুন। আপনি ইসলামের দাওয়াত দিচ্ছেন কিন্তু লোকে আপনাকে নিয়ে বাজে কথা বলছে না,অপবাদ দিচ্ছে না,গালিগালাজ করতেছে না,। যদি আপনি ইসলামের দাওয়াত দিতে গিয়ে গালি খাওয়ার বদলে যদি আপেল, বিরানি, পান তাহলে বুঝবেন যে আপনার দাওয়াতের কোথাও ভুল আছে। আপনি যদি শুধু সৎ কাজের আদেশ দিয়ে পোলাও বিরানি খান আর অসৎ কাজের নিষেধ না করেন তাহলে বুঝবেন যে আপনার দাওয়াত এ কোথাও ভুল আছে।

ডাঃ জাকির নায়েক যখন সৎ কাজের আদেশ দিত,তখন সবাই ভালোবাশত কিন্তু যখন বল্ল যে যে কবর পুজা, পীর পুজা, মাজার পুজা, মিলাদ, কোরান খানি, ধর্মের নামে এইসব ব্যাবসা করা যাবে না ,তখন আমাদের দেখের এক শ্রেনির আলেম যারা ধর্মের নামে এইসব ব্যাবসা করে ,তাদের মাথা খারাপ হলো ।ওরা নবী রাসুল কে নিয়ে বাজে কথা বলতে দিধাবোধ করে নাই, আর আপনি তো নবী,সাহাবা, দের তুলনায় অনেক সামান্য । তাই ইসলামের দাওয়াত দিতে গেলে গালিগালাজ খেতে হবে, মার খেতে হবে,। এসবের তোয়াক্কা না করে আপনাকে,আমাকে সবাইকে ইসলামের দাওয়াত দিতে হবে।

আর যারা ইসলামের কথা শুনলে রাগ হয়, গালিগালাজ করে, অপবাদ দেয়, বুঝবেন যে তারাই হলো আবু জেহেলের বংশধর, আবু লাহাবের বংশধর, ফেরাওনের, নমরুদের বংশধর। আপনাদের কথায় ডাঃ জাকির নায়েকের ইসলামের দাওয়াত থেকে থাকবে না, চলছে, চলবে,। বিশ্বের অন্যন্য দেশে তাই দাওয়াত চলছে আর চলবে। এবং দিন দিন বাড়তেই থাক্তেছে, কমবে না, কারন আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরানে সুরা বনি ইসরাইল এর ৮১ নং আয়াতে বলেছেন যে “”হে নবী আপনি বলুন সত্য এসেছে আর আর মিত্থ্যা বিলপ্ত হয়েছে, নিশ্চই মিথ্যা তো বিলপ্ত হবারই ছিল।

মুহাম্মাদ বেলাল সানী

মতামত দিন