সুন্নাহ

মাসজিদের আদব

ইসলামে মাসজিদের অবস্থান

মানুষের জীবনে মাসজিদের গুরুত্ব অপরিসীম, তার অবস্থান অনেক উপরে , এর সংক্ষিপ্ত কিছু বিষয় নিম্নে উলে­­খ করছি।

১. মাসজিদ ­আল্লাহ তাআলার ঘর, রাসূল সাল­াল­াহু আলাইহি ওয়াসাল­াম বলেন—

ما اجتمع قوم فى بيت من بيوت الله… (رواه مسلم : ৪৮৬৭)

কোন সম্প্রদায় যখন আল­াহর ঘর সমূহের মধ্য থেকে কোন এক ঘরে একত্রিত হয়…।[i]

আল্লাহ তাআলা বলেন—

وَأَنَّ الْمَسَاجِدَ لِلَّهِ فَلَا تَدْعُوا مَعَ اللَّهِ أَحَدًا. (سورة الجن : 18)

এবং এই যে মাসজিদসমূহ আল্লা­হরই জন্য। সুতরাং আল­াহর সাথে তোমরা অন্য কাউকে ডেকো না।[ii]

উলামায়ে কেরাম বলেন : উলে­খিত হাদীস ও আয়াতে মসজিদকে আল্লাহর দিকে সম্বন্ধযুক্ত করে উলে­খ করার মাধ্যমে মূলত মসজিদের মর্যাদা ও গুরুত্ব ফুটে উঠেছে।

২. মাসজিদ পৃথিবীতে সর্বোত্তম জায়গা এবং আল­্লাহ তাআলার সবচেয়ে প্রিয় স্থান। রাসূল সাল­াল­াহু আলাইহি ওয়াসাল­াম বলেন―

أحب البلاد إلى الله مساجدها، وأبغض البلاد إلى الله أسواقها. (رواه مسلم : ১০৭৬)

আল্লাহর নিকট সর্বোত্তম জায়গা মসজিদ এবং সর্ব-নিকৃষ্ট জায়গা বাজার।[iii]

৩. মাসজিদ ইসলামের দ্বিতীয় ভিত্তি ফরজ নামাজ আদায়ের স্থান ।

৪. মাসজিদ মুসলমানদের সমবেত হওয়া , পরিচয় লাভ করা এবং সম্পর্ক তৈরি করার স্থান। সেখানে কোরআন পাঠের ক্লাস হয় এবং জ্ঞান-শিক্ষার পাঠ দান করা হয়।

৫. মাসজিদের গুরুত্ব এবং মর্যাদার আরো একটি প্রমাণ হল, রাসূল সাল­াল­াহু আলাইহি ওয়াসাল­াম হিজরত করার পর সর্বপ্রথম মাসজিদ বানানোর দিকে দৃষ্টি দিয়েছেন। আর মদিনাতে আগমনের পর সেটাই তার সর্বপ্রথম কাজ।

মাসজিদ আবাদ করার ফজিলত:

মাসজিদ আবাদ দুই প্রকার:

(ক) বাহ্যিক আবাদ তথা নির্মাণ করা, আর এর অনেক ফজিলত রয়েছে।আল­াহর রাসূল সাল­াল­াহু আলাইহি ওয়াসাল­াম বলেন―

من بنى مسجدا يبتغي به وجه الله بنى الله له مثله فى الجنة. (رواه الترمذي : ২৯২)

যে আল­্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে মসজিদ তৈরি করবে, আল­াহ তাআলা জান্নাতে তার জন্য অনুরূপ একটি ঘর তৈরি করে দেবেন।[iv]

হাদীসে সঠিক নিয়তে মসজিদ নির্মাণকারীর জন্যে জান্নাতে প্রবেশের শুভ সংবাদ আছে। কারণ জান্নাতে আল­াহ তাআলার ঘর নির্মাণ করাই প্রমাণ করে যে সে ব্যক্তি তাতে প্রবেশ করবে।

(খ) এতো গেল বাহ্যিকভাবে মসজিদ আবাদের কথা। মসজিদ আবাদের আরেকটি দিক রয়েছে যা প্রকৃত অর্থে আবাদ করা ,আর সেটি এভাবে যে, সেখানে নামাজ পড়া, জিকির করা, কোরআন তেলাওয়াত করা এবং অন্যান্য এবাদত করা ; এর জন্য অগণিত পুরস্কার আছে মর্মে বহু আয়াত ও হাদীস বর্ণিত হয়েছে।

যেমন রাসূল সাল­াল­াহু আলাইহি ওয়াসাল­াম বলেন :

من غدا إلى المسجد أو راح أعدّ الله له في الجنة نزلا كلما غدا أو راح.

যে সকাল বিকাল মাসজিদে গমনাগমন করবে, প্রত্যেকবার যাতায়াতের বিনিময়ে আল্লাহ তাআলা তার জন্য জান্নাতে মেহমানদারির ব্যবস্থা করবেন।

আবাদের উভয় দিক শামিল হয় আল্লাহ তাআলার নিম্নোক্ত বাণী: এরশাদ হচেছ―

إِنَّمَا يَعْمُرُ مَسَاجِدَ اللَّهِ مَنْ آَمَنَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآَخِرِ وَأَقَامَ الصَّلَاةَ وَآَتَى الزَّكَاةَ وَلَمْ يَخْشَ إِلَّا اللَّهَ فَعَسَى أُولَئِكَ أَنْ يَكُونُوا مِنَ الْمُهْتَدِينَ ﴿18﴾. (سورة الةوبة : ১৮)

নি:সন্দেহে তারাইতো আল্লাহর মসজিদ আবাদ করবে, যারা ঈমান আনে আল­াহ ও আখেরাতের প্রতি এবং সালাত কায়েম করে, জাকাত দেয় এবং আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকেই ভয় করে না। অতএব আশা করা যায়, তারা সৎপথপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে।[v]

মসজিদ সম্পর্কিত বিধানাবলী:

মসজিদের অনেক আদব ও বিধান রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি নিম্নে উলে­খ করা হল :

১.  কারুকার্য বাদ দিয়ে সুন্দর করে বিল্ডিং বানানো, কেননা কারুকার্য করা বেদআত। এতে নামাজির মনোযোগ নষ্ট হয় এবং প্রতিযোগিতা ও অহংকারের দরজা খুলে যায়। ইবনে আববাস থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসূলুল­াহ সাল­াল­াহু আলাইহি ওয়াসাল­াম এরশাদ করেন, আমাকে মসজিদ সাজাতে নির্দেশ দেয়া হয়নি। ইবনে আববাস বলেন, তারা অবশ্যই মসজিদসমূহ সাজাবে, যেমন ইহুদি ও খ্রিস্টানরা সাজাতো।

ইমাম বুখারি রহ. বলেন, উমর রা. মসজিদ বানাতে নির্দেশ দিলেন এবং বললেন, আমি মানুষকে বৃষ্টি থেকে হেফাজত করছি। সাবধান! লাল ও হলুদ রং ব্যবহার করবে না। মানুষ ধাঁধাঁয় পড়ে যাবে। আনাস রা. বলেন, মসজিদ নিয়ে মানুষ গর্ব ও প্রতিযোগিতা করবে, কিন্তু খুব কম লোকই মসজিদ আবাদ করবে।

২. কবরের উপর মসজিদ তৈরি করা কিংবা মসজিদে কবর বানানো হারাম। কেননা এটি মূলত কবরের সম্মান প্রদর্শণ এবং আল­াহ তাআলা ব্যতীত কবরের এবাদত করার মাধ্যমে শিরকের রাস্তা তৈরি করে । রাসূলুল­াহ সাল­াল­াহু আলাইহি ওয়াসাল­াম এরশাদ করেন:

لعن الله اليهود والنصارى، اتخذوا قبور أنبيائهم مساجد. (رواه مسلم : ৮২৫)

ইহুদি ও খ্রিস্টানদের উপর আল্লাহ তাআলার অভিশাপ। তারা তাদের নবীদের কবরকে মসজিদ বানিয়েছে।[vi]

জুন্দুব রা. রাসূলুল­াহ সাল­াল­াহু আলাইহি ওয়াসাল­ামের মৃত্যুর পূর্বে পাঁচটি অসিয়ত শুনেছেন, তিনি রাসূল সাল­াল­াহু আলাইহি ওয়াসাল­ামকে বলতে শুনেছেন:―

…وإن من كان قبلكم كانوا يتخذون قبور أنبيائهم وصالحيهم مساجد، ألا فلا تتخذوا القبور مساجد، فإني أنهاكم عن ذلك. (رواه مسلم : ৮২৭)

…তোমাদের পূর্ববর্তীরা নবী ও সৎ লোকদের কবরকে মসজিদ বানাতো। সাবধান! তোমরা কবরকে মসজিদ বানিও না। আমি তোমাদেরকে এ ব্যাপারে নিষেধ করছি।[vii] কবরস্থানে জানাযার নামাজ ছাড়া অন্য কোন নামাজ বৈধ নয়।

৩.  মসজিদ সর্বদা পরিচ্ছন্ন রাখা। অপবিত্র করা বা কষ্টদায়ক জিনিস সেখানে রাখা হারাম। রাসূলুল­াহ সাল­াল­াহু আলাইহি ওয়াসাল­াম এরশাদ করেন―

البصاق فى المسجد خطيئةوكفارتها دفنها. (رواه النسائي : ৭১৫)

মসজিদে থুতু ফেলা অন্যায়, তার কাফফারা হল পুতে ফেলা।[viii]

পুতে ফেলা সম্ভব না হলে, অন্যভাবে পরিষ্কার করতে হবে। যেমন, রাসূল সাল­াল­াহু আলাইহি ওয়াসাল­াম মসজিদের দেয়াল থেকে থুতু সরিয়ে ফেলেছিলেন।

৪.   মসজিদে নম্রতা ও স্থিরতার সাথে যাওয়া। তাড়াতাড়ি বা দৌঁড়িয়ে না যাওয়া। রাসূল সাল­াল­াহু আলাইহি ওয়াসাল­াম এরশাদ করেন—

وإذا أتيتم الصلاة فعليكم بالسكينة، فما أدركتم فصلوا وما فاتكم فأتموا. (رواه البخاري : ৫৯৯)

যখন তোমরা নামাজে আসবে অবশ্যই ধীর-স্থিরতার সাথে আসবে। যতটুকু পাবে, আদায় করবে। আর যতটুকু ছুটে যাবে, পূর্ণ করবে।[ix]

৫. মসজিদে ডান পা দিয়ে প্রবেশ করা ও বাম পা দিয়ে বের হওয়া। আনাস রা. বলেন―সুন্নত হলযখন মসজিদে প্রবেশ করবে, ডান পা দিয়ে প্রবেশ করবে। আর যখন বের হবে বাম পা দিয়ে বের হবে।

প্রবেশ এবং বের হবার দোয়া পড়বে। রাসূলের নির্দেশ :―

إذا دخل أحدكم المسجد فليقل اللهم افتح لي أبواب رحمتك، وإذا خرج فليقل اللهم إنى أسألك من فضلك.

যখন কোন ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করবে তখন বলবে :

اللهم افتح لي أبواب رحمتك.

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মাগ ফিরলী আবওয়াবা রাহমাতিকা

আর যখন বের হবে তখন বলবে :

 

اللهم إني أسألك من فضلك

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নী আস’আলুকা মিন ফাদ্বলিকা।

৬. মাসজিদে আগে আগে যাওয়া এবং প্রথম কাতারে নামাজ পড়ার প্রতি আগ্রহী থাকা―রাসূলুল­াহ সাল­াল­াহু আলাইহি ওয়াসাল­াম-এর প্রতি উদ্বুদ্ধ করেছেন। তিনি বলেন―

لو يعلم الناس ما في النداء والصف الأول ثم لم يجدوا إلا أن يستهموا عليه لاستهموا على ذلك، ولو يعلمون ما في التهجير لا سبقوا إليه. (رواه البخاري : ৫৮০)

যদি মানুষ জানতে পারত, আজান দেয়া এবং প্রথম কাতারে নামাজ পড়ার মাঝে কি আছে, আর লটারি ব্যতীত সেটি পাওয়া সম্ভব হত না, তাহলে অবশ্যই তার জন্য লটারির ব্যবস্থা করত। এবং যদি জানতে পারত মসজিদে আগে আসার মাঝে কি ফজিলত আছে, তাহলে তার জন্য হামাগুড়ি দিয়ে হলেও আসত।[x]

আর যিনি মাসজিদে আগে আসবেন, কোন কারণ ছা্ড়া তার প্রথম কাতার বাদ দিয়ে পিছনে বসা উচিত নয়। শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া বলেন, ‘যে ব্যক্তি আগে আসল এবং কোর ওজর ব্যতীতই প্রথম কাতার ছাড়া অন্য জায়গায় বসল, সে শরীয়তের বিধান লঙ্ঘন করল। পিছনে হটে থাকার দরুন সে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কল্যাণ থেকে নিজেকে বঞ্চিত করল। রাসূলুল­াহ সাল­াল­াহু আলাইহি ওয়াসাল­াম এরশাদ করেন―

تقدموا، فائتموابي،وليأتم بكم من بعدكم، لا يزال قوم يتأخرون حتى يؤخرهم الله. (رواه مسلم : ৬৬২)

তোমরা সামনের দিকে অগ্রসর হও এবং আমার ইকতিদা কর। আর তোমাদের পরবর্তীগণ তোমাদের ইকতিদা করবে। একটি সম্প্রদায় সব সময় পিছনে থাকবে এক পর্যায়ে আল্লাহ তাআলা তাদেরকে পিছনে ঠেলে দেবেন।[xi]

মাসজিদে আগে আসার মাঝে অনেক উপকার। যথা―জামাতের শুরু থেকে অংশগ্রহণ, কোরআন পড়ার সুযোগ, নফল আদায় করার সুযোগ, ফেরেশতারা তার জন্য ক্ষমার দোয়া করতে থাকে। যতক্ষন নামাজের অপেক্ষায় থাকবে ততক্ষন নামাজরত আছে বলে ধরা হবে এবং প্রথম কাতার পাওয়া―ইত্যাদি।

৭.মসজিদে প্রবেশকারী দুই রাকাত তাহিয়্যাতুল মসজিদ আদায় ব্যতীত বসবে না। আবু কাতাদাহ আনসারী রা. বলেন, রাসূল সাল­াল­াহু আলাইহি ওয়াসাল­াম এরশাদ করেন,

إذا دخل أحدكم المسجد فلا يجلسنّ حتى يصلي ركعتين. (رواه البخاري : ১০৯৭)

তোমাদের কেউ মাসজিদে প্রবেশ করলে দুই রাকাত না পড়া ব্যতীত কখনোই বসবে না।[xii] ইমাম সাহেব জুমার নামাজে খুতবা দানরত থাকা অবস্থায় প্রবেশ করলেও এ’দুই রাকাত আদায় করবে তবে একটু সংক্ষিপ্তাকারে আদায় করবে। জাবের রা. রাসূল সাল­াল­াহু আলাইহি ওয়াসাল­াম থেকে বর্ণনা করেন―

إذا جاء أحدكم يوم الجمعة والإمام يخطب فليصل ركعتين ويتجوز فيهما. (رواه أبو داؤد : ৯৪২)

ইমামের খুতবা চলা অবস্থায় তোমাদের কেউ যখন মসজিদে প্রবেশ করবে, তখন সংক্ষেপে দুই রাকাত নামাজ আদায় করবে।[xiii]

৮. মসজিদে উচ্চস্বরে কথা বলা, নামাজি বা তেলাওয়াতকারীকে বিরক্ত করা মাকরূহ। চাই তা সাধারণ কথা হোক বা উচ্চস্বরে কোরআর পাঠ করা হোক। পাশের লোককে কষ্ট দেয়া নিষেধ। রাসূল সাল­াল­াহু আলাইহি ওয়াসাল­াম এরশাদ করেন,

إن المصلي يناجي ربه فلينظر بما يناجيه، ولا يجهر بعضكم على بعض بالقرآن. (رواه مالك في المؤطأ : ১৬৩)

নামাজি ব্যক্তি তার প্রভুর সাথে গোপনে কথা বলে। তার খেয়াল রাখা উচিত যে, সে কি বলছে। তোমরা কোরআন শরীফ তেলাওয়াতের মাধ্যমে একে অন্যের উপর শব্দ কর না।[xiv]

৯.  মুক্তাদী সর্বদা ইমামের অনুসরণ করবে, প্রত্যেক আমল তার পর পরই সাথে সাথে আদায় করবে। ইমামের আদায়ের আগে করবে না, সাথেও করবে না। আবার ইমাম থেকে অনেক দেরিতেও না। রাসূল সাল­াল­াহু আলাইহি ওয়াসাল­াম এরশাদ করেন―

إنما جعل الإمام ليؤتم به، فلا تختلفوا عليه، فإذا كبر فكبروا، وإذا ركع فاركعوا، وإذا قال سمع الله لمن حمده فقولوا -اللهم ربنا ولك الحمد―وإذا سجد فاسجدوا، وإذا صلى جالسا فصلوا جلوسا أجمعون. (رواه البخاري : ৬৮০)

ইমাম নির্ধারণ করা হয়েছে তাঁর অনুসরণের জন্য, তোমরা তার সাথে বিরোধ কর না। তিনি যখন আল্লাহু আকবার বলবেন, তখন তোমরা আল্লাহু আকবার বলবে, আর যখন রুকু করবেন, তোমরা রুকু করবে, যখন سمع الله لمن حمده বলবেন, তোমরা اللهم ربنا ولك الحمد বলবে, যখন সেজদা করবেন, তোমরা সেজদা করবে, যখন তিনি বসে নামাজ আদায় করবেন তখন তোমরা সবাই বসে নামাজ আদায় করবে।[xv] ইমামের পূর্বে কোন কাজ করা হারাম হওয়া সম্পর্কে রাসূল সাল­াল­াহু আলাইহি ওয়াসাল­াম বলেন―

أما يخشى الذي يرفع رأسه قبل الإمام أن يحول الله رأسه رأس حمار أو صورته صورة حمار. (رواه أبو داؤد : ৫২৮)

যে ব্যক্তি নামাজে ইমামের পূর্বে মাথা উঠায় তার কি ভয় হয় না যে, আল­াহ তাআলা তার মাথাকে গাধার মাথা বানিয়ে দেবেন কিংবা তার আকৃতিকে গাধার আকৃতি বানিয়ে দেবেন।

তথ্যসূত্র :

  1. মুসলিম হা/৪৮৬৭
  2. সূরা জ্বিন, আয়াত নং-১৮।
  3. মুসলিম হা/১০৭৬।
  4. তিরমিযী হা/২৯২
  5. সূরা তাওবা আয়াত নং-১৮।
  6. মুসলিম হা/৮২৫।
  7. মুসলিম হা/৮২৭।
  8. নাসায়ী হা/৭১৫।
  9. বুখারী হা/৫৯৯।
  10. বুখারী হা/৫৮০।
  11. মুসলিম হা/৬৬২।
  12. বুখারী হা/১০৯৭।
  13. আবু দাউদ হা/৯৪২।
  14. মুয়াত্তা মালিক হা/১৬৩।
  15. বুখারী হা/৬৮০।

মতামত দিন