সলাত

জুমু’আহর সালাতে উপস্থিত ব্যক্তির কর্তব্য

জুমু’আয় উপস্থিত ব্যক্তির কর্তব্য

জুমুআহর দিন হলো সাপ্তাহিক ঈদের দিন। জুমুআহর ফযীলত সম্পর্কে হাদীসে অনেক বর্ণনা এসেছে। জুমুআহর দিন সম্পর্কে আমাদের যথাযথ না থাকায় আমরা মুসল্লি হিসেবে আমাদের করণীয় বর্জনীয় অনুসরণ করতে পারছি না। জুমুআহ’তে উপস্থিত ব্যক্তির প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
১. ইমামের নিকটবর্তী হওয়ার চেষ্টা করা : নামাযীর জন্য যথাসম্ভব ইমামের নিকটবর্তী হওয়ার চেষ্টা করা কর্তব্য। মহানবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, ” তোমরা আল্লাহর যিকরে উপস্থিত হও এবং ইমামের নিকটবর্তী হও । আর লোকে দূর হতে থাকলে বেহেশত প্রবেশেও দেরী হবে তার; যদিও সে বেহেশতে প্রবেশ করবে।” (আবু দাউদ হা/ ১১০৮)

jumuah salat

২. যেখানে জায়গা পাওয়া যায় সেখানেই বসা : জুমু’আর দিন নামাযী মসজিদে এসে যেখানে জায়গা পাবে সেখানে বসে যাবে। দেরী করে এসে (সামনের কাতারে ফাঁক থাকলেও) কাতার চিরে সামনে যাওয়া এবং তাতে অন্যান্য নামাযীদেরকে কষ্ট দেওয়া বৈধ নয়।
হযরত আব্দুল্লাহ বিন বুসর রা কর্তৃক বর্ণিত, তিনি বলেন, কোন এক জুমু’আর দিনে এক ব্যক্তি লোকদের কাতার চিরে (মসজিদে ভিতর) এল। সে সময় নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) খুতবা দিচ্ছিলেন। তাঁকে দেখে নাবী সাঃ বললেন, “বসে যাও, তুমি বেশ কষ্ট দিয়েছ এবং দেরী করেও এসেছ।” ( মুসনাদ আহমাদ,আবু দাউদ, সহীহ তারগীব হা/ ৭১৩ )

৩. তাহ্যিয়াতুল মাসজিদ এর দুরাকআত সালাত আদায় করা : খুতবা চলাকালে মসজিদে উপস্থিত ব্যক্তির জন্য নামায নিসিদ্ধ। কিন্তু এই সময়ে কেউ মসজিদে প্রবেশ করলে তার জন্য হালকা করে ২ রাকআত নামায পড়া বিধেয়। যেমন কাউকে নামায না পড়ে বসতে দেখলে খতিবের উচিত তাঁকে ঐ নামায পড়তে আদেশ করা। খুতবা শোনা ওয়াজেব হলেও এ নামাযের গুরুত্ব দিয়েছেন খোদ মহানবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)। একদা খুতবা চলাকালে এক ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করে বসে পড়লে তিনি তাঁকে বললেন, “তুমি নামায পড়েছ কি?” লোকটা বলল, না। তিনি বললেন, “ওঠ এবং হালকা করে ২ রাকআত পড়ে নাও।” (সহীহুল বুখারী হা/ ৯৩০) অতঃপর তিনি সকলের জন্য চিরস্থায়ী বিধান দেওয়ার উদ্দেশ্যে লোকদেরকে সম্বোধন করে বললেন, “তোমাদের কেউ যখন ইমামের খুতবা দেওয়া কালীন সময়ে উপস্থিত হয়, সে যেন (সংক্ষেপে) ২ রাকআত নামায পড়ে নেয়।” ( সহীহুল বুখারী হা/ ১১৭০, সহীহ মুসলিম হা/ ৮৭৫, আবু দাউদ হা/ ১১১৭ )
একদা হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাঃ মসজিদে প্রবেশ করলেন। তখন মারওয়ান খুতবা দিচ্ছিলেন। তিনি নামায পড়তে শুরু করলে প্রহরীরা তাঁকে বসতে আদেশ করল। কিন্তু তিনি তাদের কথা না শুনেই নামায শেষ করলেন। নামায শেষে লোকেরা তাঁকে বলল, আল্লাহ আপনাকে রহম করুন। এক্ষনি ওরা যে আপনার অপমান করত। উত্তরে তিনি বললেন, আমি সে নামায ছাড়ব কেন, যে নামায পড়তে নাবী সাঃ কে আদেশ করতে দেখেছি। ( তিরমিযী হা/ ৫১১)
বলা বাহুল্য, খুতবা শুরু হলে লাল বাতি জ্বেলে দেওয়া, অথবা কাউকে ঐ রাকআত নামায পড়তে দেখে চোখ লাল করা, অথবাব তার জামা ধরে টান দেওয়া, অথবা খোদ খতীব সাহেবের মানা করা সুন্নাহ-বিরোধী তথা বিদআত কাজ।

জুমু’আর আযানের সময় মসজিদে এলে দাঁড়িয়ে থেকে আযানের উত্তর না দিয়ে , তাহিয়্যাতুল মাসজিদ পড়ে খুতবা শোনার জন্য বসে যাওয়া বাঞ্ছনীয় । (ফাতাওয়া ইসলামিয়াহ , সৌদি উলামা কমিটি ১/৩৩৫,৩৪৯)
প্রকাশ থাকে যে, আযানের উত্তর দেওয়া মুস্তাহাব। (তামামুল মিন্নাহ, আলবানী ৩৪০ পৃষ্ঠা) আর খুতবা শোনা ওয়াজেব। সুতরাং আযানের সময় পার করে খুতবা শুরু হলে নামায পড়া বৈধ নয়। পক্ষান্তরে তাহিয়্যাতুল মাসজিদ ওয়াজেব না হলেও ঐ সময় মহানবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর মহা আদেশ পালন করা জরুরী।
ইমামের দিকে চেহারা করে বসা মুস্তাহাব। হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাস’উদ রাঃ বলেন, ‘আল্লাহর রসূল সাঃ যখন মিম্বরে চড়তেন, তখন আমরা আমাদের চেহারা তার দিকে ফিরিয়ে বসতাম।’ (তিরমিযী হা/ ৫০৯)।

৪. আদবের সহিত বসা : পরিধানে লুঙ্গি বা লুঙ্গিজাতীয় এক কাপর পরে খুতবা চলাকালে বসার সময় উভয় হাঁটুকে খাড়া করে রানের সাথে লাগিয়ে উভয় পা-কে দুই হাত দ্বারা জড়িয়ে ধরে অথবা কাপড় দ্বারা বেঁধে বসা বৈধ নয়। (তিরমিযী হা/ ৫১৪)
কারণ, এতে শরমগাহ প্রকাশ পাওয়ার, চট করে ঘুম চলে আসার এবং তাতে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে তাই।
৫. মনযোগ দিয়ে খুতবা শুনা : খুতবা শোনা ওয়াজিব। আর এ সময় সকল প্রকার কথাবার্তা, সালাম ও সালামের উত্তর, হাঁচির হামদের জবাব, এমনকি আপত্তিকর কাজে বাঁধা দেওয়াও নিষিদ্ধ।
হযরত আবু হুরাইরা রাঃ হতে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, ” জুমু’আর দিন ইমামের খুতবা দানকালে কথা বললে তুমি অনর্থক কর্ম করলে এবং (জুমু’আহ) বাতিল করলে।” (সহীহ তারগীব হা/ ৭১৬)
উক্ত হযরত আবু হুরাইরা রাঃ কর্তৃক বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, ” জুমু’আর দিন ইমামের খুতবা দেওয়ার সময় যদি তুমি তোমার (কথা বলছে এমন) সঙ্গীকে ‘চুপ কর’ বল তাহলে তুমিও অসার কর্ম করবে।” (সহীহ বুখারী হা/ ৯৩৪)
‘অসার বা অনর্থক কর্ম করবে’ এর একাধিক ব্যাখ্যা করা হয়েছে; যেমন, তুমি জুমু’আর সওয়াব থেকে বঞ্চিত হবে। অথবা তোমারও কথা বলা হবে। অথবা তুমিও ভুল করবে। অথবা তোমার জুমু’আহ বাতিল হয়ে যাবে। অথবা তোমার জুমু’আহ যোহরে পরিণত হবে যাবে- ইত্যাদি। তবে বিশেষজ্ঞ উলামাদের নিকট শেষোক্ত ব্যাখ্যাই নির্ভরযোগ্য । কারণ, এরূপ ব্যাখ্যা নিম্নোক্ত হাদীসে বর্ণিত হয়েছে।
আব্দুল্লাহ বিন আমর বিন আস রাঃ কর্তৃক বর্ণিত, আল্লাহর রসূল সাঃ বলেন, ” যে ব্যক্তি জুমু’আর দিন গোসল করল, তাঁর স্ত্রীর সুগন্ধি (আতর) থাকলে তা ব্যবহার করল, উত্তম লেবাস পরিধান করল, অতঃপর (মসজিদে এসে) লোকদের কাতার চিরে (আগে অতিক্রম) করল না এবং ইমামের উপদেশ দানকালে কোন বাজে কর্ম করল না, সে ব্যক্তির জন্য তা উভয় জুমু’আর মধ্যবর্তী কৃত পাপের কাফফারা হয়ে যাবে। আর যে ব্যক্তি অনর্থক কর্ম করল এবং লোকদের কাতার চিরে সামনে অতিক্রম করল সে ব্যক্তির জুমু’আহ যোহরে পরিণত হয়ে যাবে। ” (সহীহ তারগীব হা/ ৭২০)

মহানবী সাঃ বলেন, “ জুম’আর দিন ৩ শ্রেণীর মানুষ (মসজিদে) উপস্থিত হয়। প্রথম শ্রেণীর মানুষ উপস্থিত হয়ে বাজে কথা বলে; তাঁর সেটাই হল প্রাপ্য। দ্বিতীয় শ্রেণীর মানুষ উপস্থিত হয়ে দোআ করে; আর সে এমন লোক, যে আল্লাহর কাছে দোআ করে, আল্লাহ তাঁর দোআ কবুল করেন অথবা না করেন। আর তৃতীয় শ্রেণীর মানুষ উপস্থিত হয়ে চুপ ও নির্বাক থাকে, কোন মুসলিমের কাঁধ ডিঙিয়ে (কাতার চিরে) আগে যায় না এবং কাউকে কোন প্রকার কষ্ট দেয় না। এই শ্রেণীর মানুষের জন্য তাঁর ঐ কাজের ফল তাঁর ঐ জুম’আহ থেকে আগামী জুম’আহ পর্যন্ত বরং অতিরিক্ত ৩ দিনে (অর্থাৎ ১০ দিনে) কৃত গোনাহের কাফফারা হবে। কেননা আল্লাহ আযযা অজাল্ল বলেন , যে ব্যক্তি একটি সওয়াবের কাজ করবে, সে তাঁর ১০ গুন সওয়াব লাভ করবে।”
( সুনান আবু দাউদ হা/ ১১১৩)
আলকামাহ বিন আব্দুল্লাহর সাথে তাঁর এক সাথী খুতবা চলাকালে কথা বলছিল। তিনি তাঁকে চুপ করতে বললেন। নামাযের পর ইবনে উমার রাঃ –এর কাছে এ কথা উল্লেখ করা হলে তিনি বললেন, ‘ তোমার তো জুম’আহই হয়নি। আর তোমার সাথী হল একটা গাধা।’( ইআশাঃ ৫৩০৩)

প্রকাশ থাকে যে, ইমাম মিম্বরের উপরে বসে থাকা অবস্থায়, অর্থাৎ খুতবা বন্ধ অবস্থায় কথা বলা অবৈধ নয়। যেমন ইমামের খুতবা শুরু করা না পর্যন্ত (প্রয়োজনীয়) কথাবার্তা (এমনকি আযানের সময়ও) বলা বৈধ। ষা’লাবাহ বিন আবী মালেক কুরাযী বলেন, হযরত উমার ও উসমানের যুগে ইমাম বের হলে আমারা নামায ত্যাগ করতাম এবং ইমাম খুতবা শুরু করলে আমরা কথা বলা ত্যাগ করতাম।

খুতবা চলা অবস্থায় কেউ মসজিদে এলে মসজিদে প্রবেশ করার আগে রাস্তায় খুতবা শুনতে পেলে রাস্তাতেও কারোর সঙ্গে কথা বলাও বৈধ নয়। বৈধ নয় খুতবা চলা অবস্থায় হাতে কোন কিছু নিয়ে ফালতু খেলা করা। যেমন মিসওয়াক করা, তাসবীহ-মালা (?) নিয়ে খেলা করা, মসজিদের মেঝে, কাঁকর বা কুটো স্পর্শ করে খেলা করা ইত্যাদি। মহানবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “ যে ব্যক্তি সুন্দরভাবে ওযু করে জুম’আর উদ্দেশ্যে (মসজিদে) উপস্থিত হয়। অতঃপর মনোযোগ সহকারে (খুতবাহ) শ্রবণ করে ও নীরব থাকে সেই ব্যক্তির ঐ জুম’আহ থেকে দ্বিতীয় জুম’আহর মধ্যবর্তীকালে সংঘটিত এবং অতিরিক্ত তিন দিনের পাপ মাফ করে দেওয়া হয়। আর যে ব্যক্তি (খুতবা চলাকালে)কাঁকর স্পর্শ করে সে অসার (ভুল) কাজ করে।”(সুনান আবু দাউদ হা/ ১০৫০)
খুতবা চলাকালে তন্দ্রা (ঢুল) এলে জায়গা পরিবর্তন করে বসা বিধেয়। এতে তন্দ্রা দূরীভূত হয়ে যায়। মহানবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “ তোমাদের কেউ মসজিদে বসে ঢুললে সে যেন তাঁর বসার জায়গা পরিবর্তন করে অন্য জায়গায় বসে।” (সুনান আবু দাউদ হা/ ১১১৯)
কাউকে তাঁর জায়গা থেকে উঠিয়ে সেখানে বসা, কেউ কোন কারণে জায়গা ছেড়ে উঠে গেলে এবং সে ফিরে আসবে ধারণা হওয়া সত্ত্বেও তাঁর সেই জায়গায় বসা বৈধ নয়। মহানবী সাঃ বলেন,” যখন তোমাদের কেউ নিজ জায়গা ছেড়ে উঠে যায় এবং পরক্ষনে সে ফিরে আসে, তাহলে সেই ঐ জায়গার অধিক হকদার।” (সহীহ মুসলিম)
হযরত ইবনে উমার রাঃ কেউ তাঁর জায়গা ছেড়ে উঠে গেলে সে জায়গায় বসতেন না। (সহীহ মুসলিম)

৬. খুতবা শুনতে শুনতে ঘুম এলে জায়গা বদল করা : কিন্তু খুতবা শুনতে শুনতে ঘুম এলে (কথা না বলে) ইঙ্গিতে পাশের সাথীর জায়গা বদল করা উত্তম। যেহেতু মহানবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন,” যখন তোমাদের কেউ জুম’আর দিন ঢুলতে শুরু করে , তখন তাঁর উচিত তাঁর সঙ্গীর জায়গায় গিয়ে বসা এবং তাঁর সঙ্গীর উচিত তাঁর ঐ জায়গায় বসা।”(সহীহুল জামে হা/ ৮১২)
জ্ঞাতব্য যে, ইমামের কলেমা অথবা দরূদ পড়ার সাথে সাথে মুসল্লীদের সমস্বরে সশব্দে তা পড়া বিদআত।
প্রকাশ থাকে যে, বিশেষ করে জুমু’আহ বা ঈদের নামাযে অত্যন্ত ভীরের ফলে যদি সিজদাহ করার জায়গা না পাওয়া যায়, তাহলেও জামাআতে নামায পড়তে হবে। আর এই অবস্থায় সামনের নামাযীর পিঠে সিজদাহ করতে হবে। ইবনে উমার (রাঃ) বলেন, ‘নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের কাছে সিজদার সূরা পড়তেন। অতঃপর সিজদার জায়গায় তিনি সিজদাহ করতেন এবং আমরাও সিজদাহ করতাম। এমনকি ভিড়ের ফলে আমাদের কেউ কেউ সিজদাহ করার মত জায়গা না পেলে অপরের (পিঠের) উপরে সিজদাহ করতাম।’ (সহীহুল বুখারী হা/ ১০৭৬)
হযরত উমার বলেন, পীঠের উপর সিজদাহ করতে হবে। এই মত গ্রহণ করেছেন কুফাবাসীগণ, ইমাম আহমাদ এবং ইসহাক। পক্ষান্তরে আত্বা ও যুহরী বলেন, সামনের লোকের উঠা পর্যন্ত অপেক্ষা করে সে উঠে গেলে তারপর সিজদাহ করতে হবে। আর এমত গ্রহণ করেছেন ইমাম মালেক রহঃ ও অধিকাংশ উলামাগণ। (কিন্তু এর ফলে ইমামের বিরোধিতা হবে।) ইমাম বুখারীর রহঃ লিখার ভঙ্গিতে বুঝা যায় যে, তিনি মনে করেন, এই অবস্থায় নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী সিজদাহ করবে। এমনকি নিজ ভাইয়ের পিঠে সিজদাহ করতে হলে তাও করবে। (ফাতহুল বারী, ইবনে হাজার ২/ ৬৫২)
অবশ্য (মাসজিদুল হারমাইনে) সামনে মহিলা পড়লে সিজদাহ না করে একটু ঝুঁকে বা ইশারায় নামায আদায় করবে।
সূত্রঃ স্বলাতে মুবাশশির (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম), লেখক শাইখ Abdul Hamid Madani Faizi

অনুলিখন: মাকসুদ বিন আমাল

(ঈষত পরিবর্তিত)

মতামত দিন