বিজ্ঞান ও ইসলাম

মিথ্যা চেনার মূলনীতি [প্রসঙ্গ – বিবর্তনবাদ]

ভূমিকাঃ

সমস্ত প্রশংসা বিশ্ব জগতের স্রষ্টা, পরিচালক, সুবিজ্ঞ, অসীম কুশলী মহিয়ান আল্লাহর যিনি জ্ঞানের অধার , তিনি অতি সুক্ষ্মদর্শী এবং সব কিছুর খবর রাখেন। তিনিই মানুষকে সে সব বিষয়ে দিক নির্দেশনা দিয়েছেন যাতে তাদের ইহ ও পরকাল উভয় জগতে রয়েছে কল্যাণ ।

আমি স্বাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া সত্য কোন উপাস্য নাই। তিনি অদ্বিতীয়। তাঁর কোন শরীক নাই। আরও স্বাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও রাসুল। আল্লাহ তাঁর প্রতি, তার পরিবার-পরিজন ও সঙ্গী-সাথীদের প্রতি অবারিত ধারায় রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন। অত:পর, আল্লাহ্‌ বলেন, “ বল,অন্ধ ও দৃষ্টিসম্পন্ন কি সমান অথবা অন্ধকার ও আলো কি সমান?”[সূরা রা’দ ১৬]

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম বলেন,

আছেন সত্য মাথার’পর

বেপরোয়া তুই সত্য বল,

বুক ঠুকে তুই সত্য বল।

(তখন) তোর পথেরই মশাল হয়ে

জ্বলবে বিধির রুদ্র চোখ,

বিধির বিধান সত্য হোক।

বিধির বিধান সত্য হোক।

ইন্টারনেটে science আর anti-science এর যুক্তি-তর্কের গভীর প্যাঁচ খুলতে না পেরে, আজকাল কিছু মুসলিম এই সিদ্ধান্তে উপনীত হচ্ছে যে, আল্লাহ্‌ নেই। এই জটিল, নিয়মবদ্ধ মহাবিশ্ব একটা অনিয়ন্ত্রিত এবং অপরিকল্পিত পথ ধরে বর্তমান অবস্থায় পৌঁছে গেছে।আমাদের আলোচনার বিষয়, Evolution কি science, নাকি anti-science”? by chance theory সত্য ,নাকি anti-chance?

উদাহরণ হিসাবে বলা যায়, একজন লোক সে ইউটিউবে flat earth society এর কিছু ভিডিও দেখল, যা প্রমান করে যে, পৃথিবী সমতল[???] অতপর,সে ভাবল-‘ নিজেদের ধর্মকে সত্য বলার জন্য আস্তিকরা কত কিছু করে

সে আরও কিছু ভিডিও দেখল যা প্রমান করে যে, বিবর্তন আছে আর ডারউইন সত্য বলেছে। এবার সে ভাবল-‘ আচ্ছা, মুসলিম হিসাবে আমি যে বলি-বিবর্তন নেই;এটা কি ঠিক ?

লোকটা অনেক ভাবল, এরপর সে বলল-‘ পাঠ্যবইয়ে যা আছে সেটাই ঠিক, অন্ধ ধার্মিকরা নিজেদের সঠিক প্রমান করার জন্য বৈধ-অবৈধ সকল উপায়ে বিজ্ঞানকে ব্যবহার করছে। আজ থেকে আমি সেটাই বিশ্বাস করব যা বিজ্ঞানীরা বলবে।’ 

মোট কথা, সে তাদের অনুসরন করবে যাদের প্রচার সবচেয়ে বেশি। কারন এটা যেকোন বুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ জানে যে খোদ-বিজ্ঞানীরাই দুইটি আলাদা ভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছে; স্রষ্টার উপস্থিতির প্রশ্নে। সে তাদের অনুসরন করবে,যাদের অনুসরন করলে পার্থিব ভোগ তার জন্য সহজ হবে;কিছু কথা তার মনে আসবে এক ধর্মের লোক আরেক ধর্মের কাউকে বিয়ে করে না, এমনকি ধর্মান্ধ এটা ভাবে না সবাই মানুষ। তার বুদ্ধি যখন এইসব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে না,সে তখন নাস্তিকতাকে সঠিক মনে করে।এই মুসলমানেরা,জ্ঞানপাপী বিজ্ঞানীদের দ্বারা মগজ ধোলাইয়ের শিকার হয়েছে।

মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নাবুয়্যাত প্রাপ্তির প্রায় বিশ বছর পর – তখন খালিদ [রাঃ] কে তাঁর কিছু বন্ধু  জিজ্ঞেস করলেনঃ “তোমার মন কোথায় ছিল হে খালিদ, যে তুমি এই [ইসলামের ]  আলো গত বিশ বছরে দেখতে পাও নি?”ফলে তিনি (রাযিআল্লাহু আনহু) জবাব দিলেন,  [আর তার কথা সকল অন্ধ-অনুসরণকারীদের এক মুহুর্ত হলেও মনযোগ সহকারে শোনা ও এর উপর চিন্তা করা উচিত।]  তিনি বললেনঃ আমরা আমাদের সামনে কিছু ব্যক্তিত্বকে দেখেছিলাম [আবু জাহেল,আবু লাহাব ইত্যাদি] যাদের চিন্তাভাবনাকে আমরা পাহাড়সম (তাৎপর্যপূর্ণ) মনে করতাম

নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর একটি সাহীহ হাদীসে এ সম্পর্কে তিনি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অন্ধঅনুসরণকারী হয়ো না, একথা বলে যেঃযদি মানুষ ভালো কাজ করে, তবে আমরাও ভালো কাজ করবো, আর যদি মানুষ অন্যায় কাজ করে, তবে আমরাও অন্যায় কাজ করবো,’ বরং নিজেদেরকে সুদৃঢ় করো, যেন যদি মানুষ ভালো কাজ করে, তোমরা ভালো কাজ করবে, কিন্তু যদি তারা অন্যায় কাজ করে, তবে তোমরা অবিচারকে পরিণত হবে না [আত্*-তিরমিযি-এর দ্বারা বর্ণিত, যিনি এটিকে হাসান বলেছেন]

সমাধান কিভাবে করব?

আমি বলব, এই রকম সিদ্ধান্ত আসলে আবেগের বশে নেয়া। কারন সে যাচাই করে নি। শুধু অনুসন্ধানের খাটুনি থেকে বাঁচতে ,সে কয়েন দিয়ে টস করার মত নাস্তিক বিজ্ঞানীদের অনুসরন করা যৌক্তিক মনে করেছে।

আবার, এক দিক থেকে তার অন্য কোন উপায় ছিল না। সে তো ফিজিক্স বা বায়োলজির  বিশেষজ্ঞ না,যে পরীক্ষা-নীরিক্ষার মাধ্যমে যাচাই করবে?  তাই, এই অবস্থায় সহজ হল- দুই পক্ষের কথা শোনা। মিথ্যাবাদীরা কোন না কোন জায়গায় গিয়ে জবাব খুঁজে পাবে না। অবশ্য, এটাও শ্রমসাপেক্ষ কাজ।

আমাদের ইমাম ‘আলী (রাযিআল্লাহু আনহু)-এর থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা উচিত যেখানে তিনি বলেছেনঃ হারিস! বিষয়টি তোমার কাছে জটিল রূপ ধারণ করেছে মানুষ সত্যের উৎস নয় সত্যকে জানো, আর তখনই তুমি এর অনুসারী মানুষদেরকে চিনতে পারবে

মানুষের মাঝে হাক্বের (সত্য) অনুসন্ধানের ফলে অন্ধ-অনুসরণ ছড়িয়ে পড়েছে।

ইমাম আহ্*মাদ (রহিমুল্লাহ) বলেছেনঃযে সকল বিষয় মানুষের ফিক্ব্হী (প্রজ্ঞার) অভাবকে নির্দেশ করে, তার মাঝে একটি হল সে দ্বীনের বিষয়াদিতে অপর কোন মানুষের অন্ধঅনুসরণ করে” [লামুল মুওয়াক্ব্*ক্বইন, /]

তাই, এই ক্ষুদ্র পুস্তিকার অবতারনা। সত্য আর মিথ্যার মধ্যে পার্থক্য করব কিভাবে? এই প্রশ্নের জবাব খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছি।

সমাধানের পথে……

আগে আমাদের জানতে হবে এই প্রশ্নের সমাধান কোন শাস্ত্রে আছে। কেউ যদি বিজ্ঞান দিয়ে আল্লাহর অস্তিত্ব প্রমান করতে চায়, এটা খুব কঠিন কাজ হবে।

আমার দৃষ্টিতে এই সমস্যার সমাধান রয়েছে, দর্শনশাস্ত্রে। Mother of all sciences নামে পরিচিত এই বিদ্যা ছাড়া আর কোন শাস্ত্র ,’ সত্য আর মিথ্যার মধ্যে পার্থক্য করার মূলনীতি আমাদের বলতে পারে? 

দর্শনের আদর্শ বই হিসাবে আমি বাছাই করেছি কুরআন মাজীদ। কারন দর্শন হল সেই শাস্ত্র যা আমাদের এই প্রশ্নের উত্তর দেয় যে- কে আমি? কি আমার উদ্দেশ্য? [ সোফির জগত ]

আর কুরআন মাজীদে সেই উত্তর দেয়া হয়েছে। তাই এটা নিঃসন্দেহে দর্শনের বই।

প্রশ্ন হল, অন্য কোন দর্শনের বই থেকে কেন কিছু নিলাম না?

প্রথম কারন, এটা আল্লাহর বানী। বিস্তারিত জানতে পড়ুন ডঃ জাকির নায়েকের বই “কোরআন কি আল্লাহর বানী?” ।হযরত আব্বাস[রাঃ] বলেন, নিশ্চয়ই সে কথাই সবচাইতে উত্তম, যে কথা সবচাইতে সত্য ]মুসনাদে আহমা][আর আল্লাহ্‌ বলেন, “ সত্য এসেছে তোমার রবের পক্ষ থেকে”।[আল-কুরআন- সূরা ইউনুস ১০৮]

দ্বিতীয় কারন, এটার প্রশংসা অনেক মহান মনীষী করেছেন। যার উদ্ধৃতি দিয়ে আমি আলোচনা বড় করতে চাই না।

তৃতীয় কারন,অন্য কোন বই খুঁজতে কেন যাব, যদি এক বইতেই সব পেয়ে যাই?

আশা করছি একজন নাস্তিকও আমার লেখাটি সম্পূর্ণ পড়া শেষ করলে, আমার সাথে একমত হবে।

মিথ্যা কি?মিথ্যুক কে?

সহজ কথায়, মিথ্যা হল সত্যের বিপরীত; সত্যকে আচ্ছাদনকারী; বাস্তবতাবিরোধী। আর মিথ্যা যে বলে বা যে তার সমর্থন করে বা তা প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করে ,সে হল মিথ্যুক।

বিশ্বাসীদের জন্য এই ব্যাখ্যা যথেষঠ যে- যা কিছু কুরআন মাজীদের বিরুদ্ধে যায় তার সবই মিথ্যা। আর মিথ্যুকের সংজ্ঞায় আল্লাহ্‌ বলেন, নিজের পক্ষ থেকে কথা বানানো হচ্ছে তাদের কাজ যারা বিশ্বাস করে না,[আসলে] এরাই হচ্ছে মিথ্যাবাদী।“[সূরা নাহল ১০৫]

মিথ্যা নিয়ে কিছু কথা

এখানে আমরা আলোচনা করব ৫ টি বিষয় নিয়ে। [যদিও আমি তা আলাদা করে উল্লেখ করি নি]

১- মিথ্যার গুনাবলি

২- মিথ্যুকের কর্মপদ্ধতি

৩- মিথ্যুকের চরিত্র

৪- মিথ্যা বলার কারন

৫- সত্যের কতিপয় গুন

আমি দেখেছি যে, প্রত্যেক যুগের মিথ্যাবাদীরা কিছু নির্দিষ্ট পথ ধরে কাজ করেছে। আর উস্তাদ নুমান আলি খান প্রায়ই বলেন যে, কুরআন আমাদের একান্ত ব্যক্তিগত সমস্যার সমাধান দেয়। তাই আমি কুরআন থেকে উত্তর খুঁজেছি।

মিথ্যা বলার কারন

অহংকারঃ মানুষ তার মতবাদের অনুপ্রেরণায় এতটাই বেপরোয়া হয়ে ওঠে যে মিথ্যা বলে।

আল্লাহ্‌ বলেন, “শয়তান অহংকার করল অস্বীকার করল।“[সূরা বাকারাহ ৩৪]

উদাহরনঃ– আমাদের বিবর্তনবাদী বিজ্ঞানীরা তাদের মতবাদের পক্ষে প্রমান খোঁজা বাদ দিয়ে কিছু convincing এবং অহমিকাপূর্ণ শব্দ ব্যবহার করে সাধারন মানুষদের সন্দেহের মাঝে ফেলে দেবার কাজে লিপ্ত হচ্ছে। যেমনঃ

তারা বৈজ্ঞানিক মানদণ্ড অনুসরন করে না,বরং বিজ্ঞানকে তাদের প্রস্তাবিত মতবাদের দিকে ধাবিত করে। একজন বিশিষ্ট ডারউইনবাদী Pierre Teilhard de Chardin, তিনি বিবর্তনবাদীদের দৃষ্টিতে ‘বিজ্ঞানের’ অবস্থান এইভাবে তুলে ধরছেন, “Is evolution a theory, a system, or a hypothesis? It is much more. It is a general postulate to which  all theories, all hypotheses, all systems must henceforward bow and which they must satisfy in order to be thinkable and true. Evolution is a light which illuminates all facts, a trajectory which all lines of thought must follow. This is what evolution is. [ Francisco Ayala, “Nothing in Biology Makes Sense Except in the Light of  Evolution: Theodosius Dobzhansky, 1900-1975,” Journal of Heredity, vol. 68, no. 3, 1977, p. 3.]

অর্থাৎ, বিবর্তন কি একটি তত্ত্ব, একটি প্রক্রিয়া, নাকি অনুমান? এটা আরও বেশি কিছু। একারনে, সকল তত্ত্ব, অনুমান, প্রক্রিয়াকে অবশ্যই এই সাধারন প্রস্তাবনাকে[ ডারউইনবাদকে] কুর্নিশ করতে হবে এবং ভাবযুক্ত সত্য হতে হলে অবশ্যই  ডারউইনবাদকে তুষ্ট বা সিদ্ধ করতে হবে। বিবর্তন হল আলো, যা সকল কারন বা সত্যকে আলোকিত করে ;একটি সঞ্চারপথ যাকে সকল চিন্তাধারাকে অবশ্যই অনুসরন করতে হবে। এটাই হল বিবর্তন।

প্রশ্ন হল, “যা কিছু কুরআন মাজীদের বিরুদ্ধে যায় তার সবই মিথ্যা”। কথাটি বলা অহংকার কিনা? 

বিবর্তনবাদীরা এটা প্রমান করতে পারেনি যে,তারা যা বলছে তা সত্য। কিন্তু কুরআন প্রমান করে দিয়েছে ১৪০০ বছর পূর্বেই । কুরআন হল একটি চ্যালেঞ্জ, যার মুখোমুখি হয়ে কেউ জিততে পারে নি- আল্লাহ্‌ বলেন, তবে কি তারা বলে যে, তুমি[মুহাম্মাদ] এটি রচনা করেছ? তুমি[মুহাম্মাদ] বলে দাওঃতবে তোমরাও অনুরূপ রচিত ১০ টি সূরা আনয়ন কর, আর যদি তোমরা সত্যবাদী হও, তবে[সাহায্যের জন্য] আল্লাহ্ছাড়া যাকে পার আহ্বান কর [সূরা হুদ ১৩]

ইমরুল কায়েসের মত দক্ষ কবি পর্যন্ত গলদঘর্ম হয়েছিল,এই চ্যালেঞ্জের সামনে। ২০০৫ সালে এক ইয়াহুদির কথা জানি যে সর্বশেষ সূরা তৈরির চেষ্টা করেছে। আর তৈরি করেছেও বটে [???] যার উদাহরণ পেশ করলে হাসতে হাসতে আপনি মরে যেতে পারেন। আমি চাই না লেখাটি পড়ার আগেই আপনি একবার মৃত্যুর দুয়ার ঘুরে আসুন।

একজন নিরক্ষর লোক জীবনের প্রথম ৪০ বছর কোন কবিতা লিখল না। হঠাৎ সে কবিতা লিখতে শুরু করল? আশ্চর্যজনক বটে। সামনে আরও প্রমাণ পেশ করা হবে, কুরআন সত্য হওয়ার পক্ষে, ইনশাল্লাহ।

অভ্যাসবশতঃ- অভ্যাসবশত যে  মিথ্যা বলে সে জাহান্নামী । 

আবু হুরায়রা[রাঃ] থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ[সাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বলেন, “শেষ বিচারের দিন তিন প্রকারের লোকের সাথে আল্লাহ্কথা বলবেন না, তাদের পরিশুদ্ধ করবেন না আর তাদের জন্য রয়েছে বেদনাদায়ক শাস্তি তারা হলঃ বৃদ্ধ ব্যভিচারী, মিথ্যুক রাজা, অহংকারী ফকির। [সহিহ মুসলিম,কিতাবুল ঈলম।]

উদাহরনঃ- বিবর্তনবাদীদের অভ্যাসবশত মিথ্যা বলার একটি নমুনা হল বিখ্যাত জার্মান বিজ্ঞানী Ernst Haeckel । তিনি তার সমসাময়িক বিজ্ঞানীদের মুখোশ উন্মোচন করেছিলেন। তার তত্ত্ব “Ontogeny Recapitulates Phylogeny” এর ভিত শক্ত করতে তিনি ভ্রমাত্মক কিছু ছবি অংকন করেন । যাতে দেখানো হয় যে, মানব ভ্রূণ এবং মাছের  ভ্রূণ সদৃশ। আর যখন তিনি ধরা পরে গেলেন,তখন বললেন, After this compromising confession of “forgery” I should be obliged to consider myself condemned and annihilated if I had not the consolation of seeing side by side with me in the prisoners’ dock hundreds of fellow culprits, among them many of the most trusted observers and most esteemed biologists. The great majority of all the diagrams in the best biological textbooks, treatises and journals would incur in the same degree the charge of “forgery,” for all of them are inexact, and are more or less doctored, schematized and constructed.” [The Neck of the Giraffe: Where Darwin Went Wrong, p. 204.]

এটা অনুবাদ না করলেই ভাল, ইংরেজিতে এর সাহিত্যমান বেশ ভাল… এছাড়া আরও আলোচনা সামনে আসবে ইনশাল্লাহ। [চলবে…]

Leave a Reply to বালক X