জীবনী

মুস্তাফা ইউসূফ, ফারেদ রহমতুল্লাহ ও আয়েশা আবদুল্লাহ

রচনায়: আববাস আলী খান

উপরোক্ত তিনজন, দুজন পুরুষ ও একজন নারী, সত্তর দশকের প্রথম দিকে ইসলাম গ্রহণের পর মিশরের জামে আযহারে যান আরবী ভাষা ও কুরআনের জ্ঞান লাভের জন্যে। মিশরের একটি আরবী পত্রিকা তাদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন। তার উর্দু তরজমা ১৯৭৪ সালের জুন মাসে উর্দু ডাইজেষ্টে প্রকাশিত হয়। তারা সকলেই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষায় ডিগ্রি লাভ করেন। প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে তাদের প্রতিক্রিয়া ও ইসলাম গ্রহণের কারণ নিম্নে প্রদত্ত হলো—

মুস্তাফা ইউসুফ

মুস্তাফা ইউসূফ– পূর্বনাম ষ্টিফেন ক্লার্ক। আমেরিকার নাগরিক এবং নিউইয়র্কের অধিবাসী। বয়স ২৪ বছর। কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাচ্য ধর্ম বিভাগ থেকে গ্রাজুয়েট ডিগ্রি লাভ করেন।

এক প্রশ্নের জবাবে মুস্তাফা ইউসূফ বলেনঃ

বস্তুবাদী ধ্যানধারণা যে ভাবে জীবনের প্রতিটি বিভাগের উপর প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত করে রেখেছে, তা চিন্তা করতে শরীর রোমাঞ্চিত হতো। বস্তুবাদের আঘাতে আমার জীবন জর্জরিত হয়ে পড়ে। আমি চিন্তা করতাম– মানব জীবনে সে সঠিক মূল্যবোধ কোথায় পাওয়া যেতে পারে যার ফলে মানুষের মধ্যে পারস্পরিক প্রেম ও ভালোবাসা সৃষ্টি হবে, মানুষ তার মৌলিক অধিকার, সুবিচার ও নিরাপত্তা লাভ করবে। চিন্তা ভাবনার পর সে মূল্যবোধের অন্বেষায় বেরিয়ে পড়ি। অনুসন্ধান করতে গিয়ে তাসাওউফ চর্চাকারী একটি মহলের সাথে আমার সাক্ষাৎ ঘটে। কতিপয় যুবককেও সেখানে দেখলাম। তাদের কথাবার্তা ও আচরণে মুগ্ধ হই। অবশেষে তাসাওউফ চর্চার সিদ্ধান্ত করি। তারপর অতি সত্বর কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাচ্য ধর্ম বিভাগে ভর্তি হই, এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরীর শরণাপন্ন হওয়া ছাড়া উপায় ছিলনা। এখানে আমি ইসলামী তাসাওউফ এবং সূফীও মাশায়েখ সম্পর্কে অনূদিত গ্রন্থাদি পড়াশুনা করতে থাকি। আমি সবচেয়ে প্রভাবিত হই ইমাম গায্যালীর এহইয়ায়ে উলুমুদ্দীন দ্বারা। এখন আমি বিভিন্ন ধর্মের ভালোভাবে পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে পারি। আমি অনুভব করলাম বিভিন্ন ধর্মের অধিকাংশ শিক্ষা বিবেকের নিরিখে টিকতো না- আর না সত্যতার মানদণ্ডে । যেমন যদি কেউ আমার ডান গালে থাপ্পর দেয় ত বাম গাল এগিয়ে দেব। … অথবা মদ ও রুটি মসিহ (আ) এর খুনে পরিবর্তিত হয়েছে- ইত্যাদি। প্রকৃত সত্যের-এ সব পরিপন্থী।

ইসলাম বলে মুহাম্মাদ (সা) মানুষ ছিলেন এবং তার জীবন আদর্শ সমগ্র মানবজাতির অনুসরণীয়। সকল মানুষ এ আদর্শ অনুযায়ী জীবন যাপন করতে পারে। এ সব জানার পর আমি ইসলাম গ্রহণের সিদ্ধান্ত করি। তারপর আমেরিকা থেকে তিউনিস পৌছি।

সেখানকার প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন শায়েখ ফাজেল বিন আশুরের সাথে মিলিত হই এবং তার হাতে ইসলাম গ্রহণ করে মুসলিম জাতিসত্তার মধ্যে প্রবেশ করি।

ফারেদ রহমতুল্লাহ

ইসলাম গ্রহণের পূর্বে তার নাম ছিল ফিডার ইভেন জাফরনার। ভেনেজুয়েলা শহরে তার জন্ম। বয়স প্রায় আটত্রিশ। কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েট। চিত্রশিল্পের বিশেষজ্ঞ।

তিনি বলেনঃ

আমার পরিবার ভেনেজুয়েলা পরিত্যাগ করে আমেরিকা যায়। এখানে আমি উচ্চ শিক্ষা লাভ করে ইটালীর রুমা বিশ্ববিদ্যালয়ে চারুশিল্প বিভাগে ভর্তি হই। কিছুকাল পর আমেরিকা ফিরে আসি এবং কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে চারুশিল্প বিভাগে ভর্তি হই।

বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা সমাপ্ত করার পর বাস্তব জীবনে পদার্পণ করি। নিউইয়র্ক, হলিউড, ক্যালিফোর্নিয়া, শিকাগো কাজ করি। যেখানেই গেছি, রাত দিন কাজে মশগুল থাকি। এ জীবন ছিল একেবারে নিছক আনন্দ-সম্ভোগের জীবন। বস্তুগত এমন কিছু ছিলনা যা আমার ভোগের বাইরে ছিল।

এখানে আর এক বিষয়ের অভিজ্ঞতা লাভ করি। আমেরিকার ছায়াছবি জগতে বিখ্যাত। মানুষ যখন তা দেখে তখন তার মনে এ বাসনা জাগে যে সেও আমেরিকাবাসীর মতো জাকজমকপূর্ণ জীবন যাপন করবে এবং এখনও মানুষ যখন বুঝতে পারে যে আমি আমেরিকা থেকে এসেছি, তখন তাদের মনে ছায়াছবিতে দেখা আমেরিকার জীবনের দৃশ্য ভেসে ওঠে।

কিন্তু আমার নিকটে এ জীবনটা স্বপ্নের মতো মনে হয়। এমন স্বপ্ন যা পেছনে রেখে যায় এক ভয়ংকর ব্যাখ্যা। দুনিয়ায় সকল ভোগ্যবস্তু আমার হস্তগত ছিল। এতদসত্ত্বেও আমার জীবন শূন্যতায় পরিপূর্ণ ছিল এবং তার কোন ভিত্তি ছিলনা। চারদিকে শুধু ধোকা-প্রতারণার জগত মনে হতো। মন চাইতো এ প্রতারণার জগত পরিত্যাগ করে কোথাও চলে যাই। কিন্তু কোথায় যাব তার জবাব আমার নিকটে ছিলনা। এ অসহায় অবস্থার পরিণামে আমি অধিকতর আনন্দ সম্ভোগ ও কুপ্রবৃত্তির জালে আবদ্ধ হলাম। অধঃপতনের এমন অতল তলে নিমজ্জিত হলাম যে অনুভব করলাম প্রকৃত পক্ষে আমি জাহান্নামে পতিত হয়েছি। এমন জাহান্নাম যেখানে প্রবেশ করার জন্যে প্রত্যেক ব্যক্তি অস্থির থাকে…….

এখন আমার সামনে দুটি পথ। হয় এ জাহান্নামেই জীবন কাটাতে থাকি অথবা অন্য কোন জীবন পদ্ধতি অবলম্বন করি। কিন্তু সে জীবন পদ্ধতি কি হতে পারে? এ প্রশ্ন আমাকে এক দুঃখজনক পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দেয়। তারপর একদিন হঠাৎ মনের গভীর থেকে আলোকরশ্মি প্রতিভাত হলো যা ক্রমশ: কানাঘুষার রূপ ধারণ করে- বলতে থাকে জীবনের যে পথের তালাশ তুমি করছ সে পথ তোমাকে দেখাতে পারে ধর্ম।

জন্মগতভাবে আমি ছিলাম ক্যাথলিক। নিউইয়র্কের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্যাথলিক শিক্ষা লাভ করি। এখন গভীর অনুভূতিসহ এ ধর্ম অধ্যয়নের পর তার প্রতি আমার ঘৃণা জন্মে। তারপর বৌদ্ধধর্ম, হিন্দুধর্ম এবং বিভিন্ন পৌত্তলিক ধর্ম সম্পর্কে পড়াশুনা করি।

কিন্তু তার মধ্যে কোনটাই আমার মনের উদ্বিগ্নতা দূর করতে পারেনি। এখন রইলো ইসলাম। ত এখন পর্যন্ত সে সম্পর্কে আমার কিছুই জানা ছিলনা। আমেরিকায় ইসলাম ছাড়া প্রত্যেক ধর্মের বহু গ্রন্থ পাওয়া যায়। ইসলাম সম্পর্কে সহজে কোন বইপুস্তক পাওয়া যায় না কেন তার দুটি কারণ। এক-ইহুদী সংগঠনগুলো সংবাদ মাধ্যম, সাংবাদিকতা, সিনেমা-থিয়েটার, লাইব্রেরী প্রতিটির উপর আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত করে রেখেছে। তার সর্বাত্মক চেষ্টা এই যে ইসলামের শিক্ষা তার সঠিক রূপ ও আকারে যেন লোকের নিকট পৌঁছতে না পারে।

দুই- এখানে অধিকাংশ মুসলমান কৃষ্ণ বর্ণের। কালোদেরকে আমেরিকার শ্বেতাংগরা শয়তান অথবা মৃত্যু থেকে কম মনে করে না। বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষ্ণাঙ্গরাই ইসলাম সম্পর্কে পড়াশুনা করে। তারাই আমেরিকায় বিপ্লব আনয়নের জন্যে প্রথম সারির সৈনিক। সাধারণ আমেরিকাবাসী তাদের জন্যে ভীত-সন্ত্রস্ত। এভাবে তারা ইসলামকেও বিপজ্জনক মনে করতে শুরু করেছে।

যাহোক আমি যেসব ধর্ম সম্পর্কে পড়াশুনা করলাম তা আমার রুগ্ন মনের আরোগ্যলাভের কোন সামগ্রী সরবরাহ করতে পারলো না। অবশেষে আল্লাহর শরণাপন্ন হলাম। তার কাছেই দোয়া করতে লাগলাম যেন আমাকে তিনি পথ দেখান। প্রকৃতির দাবী অনুযায়ী সিজদায় পড়ে যেতাম, একদিন এভাবে দোয়া করার সময় লোকে আমাকে দেখে ফেলে। তারা বলে তুমি যা করছ, মুসলমান তাই করে নামাজের মধ্যে।

অনুসন্ধানের অগ্নিশিখা আমার অন্তরে জ্বলে ওঠে। এবার ইসলাম সম্পর্কে একটু পড়াশুনা করে দেখিনা কেন? অধ্যয়নের সূচনা করলাম ছিদ্রান্বেষীর দৃষ্টিভংগীসহ। কখনো হতাশও হতাম। তার ব্যাপারেও কি জানি কোন কিছু লাভ করি কিনা। কিন্তু ত্রমশঃ নৈরাশ্য ও ছিদ্রান্বেষী-দৃষ্টিভংগীর স্থান অধিকার করলো আনন্দদায়ক বিস্ময়। আল্লামা ইউসুফ আলীর অনূদিত কুরআন পড়লাম। ফলে আমার মনের গ্রন্থি উন্মোচিত হতে দেখা গেল। কুরআনের মর্ম হৃদয়ের গভীরে অংকিত হতে লাগলো। আমার স্বভাবপ্রকৃতি এমন জীবন ব্যবস্থার অন্বেষায় ছিল, কুরআনের মর্মের উপর চিন্তাগবেষণা বেড়ে যাওয়ার সাথে সাথে এটাও সুস্পষ্ট হতে থাকে যে, ইসলামের শিক্ষা মানব প্রকৃতির সাথে সংগতিশীল।

এখন অধিক সময় কুরআন অধ্যয়নেই কাটাতে লাগলাম। আমি দেখলাম এ পবিত্র হেদায়েত গ্রন্থে আমার আত্মার প্রতিটি প্রয়োজন পূরণের উপাদান রয়েছে। ফলে আমি মুসলমান হয়ে গেলাম।

ইসলাম গ্রহণ করার পর ইসলামী সাহিত্যও অধ্যয়ন করতে থাকি। যতোই অধ্যয়ন করি, ততোই নতুন নতুন তত্ত্ব-উদঘাটিত হতে থাকে। ইসলামী জীবন ব্যবস্থার উপর আমার বিশ্বাস দৃঢ়তর হতে থাকে। আমি যে সমাজে জন্মগ্রহণ করি এবং পালিত ও বর্ধিত হই, তা আমার নৈতিক ও আধ্যাত্মিক জীবন ধ্বংস করে দেয়। কিন্তু ইসলাম যে সমাজ কায়েম করে তা শুধু আত্মার প্রয়োজনই পূরণ করেনা, বরঞ্চ বস্তুগত জীবনকেও ন্যায়সংগত ও ভারসাম্যপূর্ণ ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত করে। ইসলামই মানব জীবনের সাফল্যের নিশ্চয়তা দান করে। এ দিক দিয়ে ইসলাম আমাকে সর্বাধিক প্রভাবিত করে।

আয়েশা আবদুল্লাহ

আয়েশা আবদুল্লাহর পূর্ব নাম ভার্জিনিয়া হেনরী আমেরিকার নাগরিক। লুই ভিল ক্যাস্টাকার অধিবাসী। বয়স ছাব্বিশ। কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রিপ্রাপ্ত। তিনি বলেনঃ

আমি শৈশব কাল থেকেই ধর্ম মেনে চলতাম। নিয়মিত প্রটেস্ট্যান্ট গির্জায় যেতাম। প্রটেস্ট্যান্ট গির্জার শিক্ষা এই যে আখেরাতের জীবনের উপর বিশ্বাস করতে হবে। এতদসত্ত্বেও খুব কমলোকই জানতো আখেরাতের জীবন কেমন। অধিকাংশের ত মৃত্যুর কোন চিন্তাই থাকে না। যৌবন ত বিনা চিন্তাভাবনায় কাটায়। বৃদ্ধ হলে মৃত্যুর কথা মনে হয়।

ছোটবেলায় অনেককে মরতে দেখেছি। আমার কিছু বান্ধবী ও সমবয়সীকেও। ছোট মেয়েদেরকেও দেখেছি। এমন দেখলে চিন্তা করতাম মৃত্যুর পর তাদের কি হবে। কিন্তু আমাদের ধর্মই ছিল ভিন্ন। প্রত্যেকেই এ ধারণা করতো যে, সে ষাট বছর পর মরবে এবং তার পূর্বে জীবনকে পুরোপুরি উপভোগ করতে হবে। আমার চার ধারে যে ধরনের জীবনধারা চলছিল তাতে আমি নিশ্চিন্ত ছিলাম। এ পরিবেশে আমার আত্মা হীনপদস্থ হচ্ছে বলে মনে হতো। অবশেষে আমি আধ্যাত্মিক প্রশান্তির অন্বেষায় লেগে গেলাম।

এ সময়ে শহরে এক আন্দোলন চলছিল-যাকে বলা হতো “আধ্যাত্মিক”। তার ভিত্তি ছিল মৃত্যুর পরের জীবন। এ আন্দোলনে এমন লোকও ছিল যারা দাবী করতো যে মৃত্যু-উত্তর জগতের সাথে যোগাযোগ করার শক্তিও তাদের ছিল। প্রকাশ্যতঃ মনে হতো যে এ শক্তি আল্লাহ তাদের দিয়েছেন। একে তারা আধ্যাত্মিক জগত বলতো। কিন্তু আমি যখন তাদের কর্মপদ্ধতি ও তৎপরতার মূল্যায়ন করে দেখলাম তখন বুঝতে পারলাম যে তারা এসব কিছু বস্তুবাদী দৃষ্টিভঙ্গীসহ করছে। তাদের থেকে হতাশ হয়ে আমি “সিরাতে মুস্তাকিম”এর অনুসন্ধান শুরু করলাম। চার বছর যাবত বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন ধর্ম অধ্যয়ন করলাম। শুধু ইসলাম সম্পর্কে পড়াশুনা করতে পারিনি এ জন্য যে, এ বিভাগের চেয়ারম্যান ছিলেন জনৈক ইহুদী মরিস ফ্রিডম্যান। তিনি ইসলাম সম্পর্কে পড়াশুনার প্রতি কোনই গুরুত্ব দিতেন না।

এ সময়ে কোন এক ব্যক্তি একজন অধ্যাপককে হত্যা করে। এ ঘটনায় আমি খুব বিচলিত হয়ে পড়ি। সব কিছুই আমার কাছে অসম্ভব মনে হলো, এমন কি বিভিন্ন ধর্মের গ্রন্থাবলী পর্যন্ত। সব ধর্ম আমার কাছে অতীতের ধ্বংসাবশেষ মনে হলো। ইসলাম সম্পর্কে আমার কোন প্রকার জ্ঞান না থাকায় তাও ওসবের মধ্যে শামিল হলো। ইসলাম সত্য হওয়ার অনুভূতি সর্বপ্রথম সে সময়ে হলো যখন আমার স্বামী ইসলাম গ্রহণ করলেন। তারপর ইসলামী সাহিত্য অধ্যয়ন করা শুরু করলাম। মুসলমানদের সাথে মিলিত হয়েও ইসলামী জ্ঞান লাভ করলাম। আল্লাহ আমাকে হেদায়েত দান করেন এবং মুসলমান হই।

মুসলমান হওয়ার পর উপলব্ধি করলাম যে আল্লাহ আমাকে কত বড়ো, নিয়ামত দ্বারা ভূষিত করেছেন। আমার জীবনের মোড় পরিবর্তন হয়। আর এ ছিল ইসলামের বিরাট মোজেযা।

মতামত দিন