বিদআত

‘সাদাকাল্লাহুল আজিম’ বলার বিধান

রচনায়: সানাউল্লাহ নজির আহমদ

কতিপয় তিলাওয়াতকারী কুরআনুল কারিম তিলাওয়াত শেষে বলেন: صَدَقَاللهُالْعَظِيْمُ ‘সাদাকাল্লাহুল আজিম’, যার অর্থ ‘মহান আল্লাহ সত্য বলেছেন’। তাদের এরূপ বলার কোনো ভিত্তি নেই। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, আল্লাহ তা‘আলা সত্যবাদী, তার কালাম চিরসত্য। ইমাম নাসাঈ রাহিমাহুল্লাহ বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেন:

((إِنَّ أَصْدَقَ الْحَدِيثِ كِتَابُ اللَّهِ، وَأَحْسَنَ الْهَدْيِ هَدْيُ مُحَمَّدٍ)).

“নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলার কিতাব সবচেয়ে সত্যবাণী এবং সর্বোত্তম আদর্শ হচ্ছে মুহাম্মদের আদর্শ”।[1]

আল্লাহ তা‘আলা সত্যবাদী এবং তার বাণী সত্য এ কথা বিশ্বাস করা প্রত্যেক মুসলিমের উপর ফরয, যে আল্লাহকে মিথ্যারোপ করল অথবা তার কথায় সন্দেহ পোষণ করল সে কাফের ও দীন থেকে বহিষ্কৃত।

ড. বকর আবু যায়েদ রহ. বলেন, “আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন:

﴿ قُلۡ صَدَقَ ٱللَّهُۗ فَٱتَّبِعُواْ مِلَّةَ إِبۡرَٰهِيمَ حَنِيفٗاۖ﴾ [ال عمران: ٩٥]وقال تعالى: ﴿ وَمَنۡ أَصۡدَقُ مِنَ ٱللَّهِ حَدِيثٗا ٨٧﴾ [النساء : ٨٧] وقال تعالى: ﴿ وَمَنۡ أَصۡدَقُ مِنَ ٱللَّهِ قِيلٗا ١٢٢ ﴾ [النساء : ١٢٢]

“বল, আল্লাহ সত্য বলেছেন, সুতরাং তোমরা ইবরাহীমের মিল্লাতের অনুসরণ কর একনিষ্ঠভাবে”।[2] অপর আয়াতে তিনি বলেন: “আর কথায় আল্লাহর চেয়ে অধিক সত্যবাদী কে?”[3] অপর আয়াতে তিনি বলেন: “আর কথায় আল্লাহ অপেক্ষা অধিক সত্যবাদী কে?”[4]

এসব আয়াতের অর্থ হচ্ছে আল্লাহ তা‘আলা তার মহান কিতাব যেমন তাওরাত ও অন্যান্য গ্রন্থে যা বর্ণনা করেছেন তা সত্য, অনুরূপ কুরআনুল কারিমে তিনি বান্দাদের যে সংবাদ দিয়েছেন তাও সত্য; কিন্তু এ থেকে কুরআনুল কারিম তিলাওয়াত শেষে ‘সাদাকাল্লাহুল আজিম’ বলার বৈধতা প্রমাণিত হয় না। সমকালীন কতক ভাই বলেছেন, الجامع لشعب الإيمان للبيهقي গ্রন্থে তার পক্ষে দলিল রয়েছে, এটা তাদের ভুল। আমাদের জানা মতে গ্রহণযোগ্য কোনো আলেম এরূপ বলা বৈধ বলেননি, না-প্রসিদ্ধ কোনো ইমাম; বরং কুরআনুল কারিম তিলাওয়াত শেষে ‘সাদাকাল্লাহুল আজিম’ বলা মানুষের বানানো প্রথা। এ প্রথা নতুন আবিষ্কৃত, শরিয়তের পরিভাষায় এর নাম বিদআত। আল্লাহ ভালো জানেন”।[5]

হ্যাঁ, কেউ যদি বিশেষ কোনো উপলক্ষ্যকে কেন্দ্র করে صَدَقَ اللهُ  বলে, তাহলে সমস্যা নেই; কারণ এরূপ বলা হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। বুরাইদাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত,

((كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يخطبنا إذ جاء الحسن والحسين ـ عليهما السلام ـ عليهما قميصان أحمران يمشيان ويعثران، فنزل رسول الله صلى الله عليه وسلم من المنبر فحملهما ووضعهما بين يديه، ثم قال: صدق الله: إنما أموالكم وأولادكم فتنة ـ فنظرت إلى هذين الصبيين يمشيان ويعثران فلم أصبر حتى قطعت حديثي ورفعتهما)).

“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে খুতবা দিচ্ছিলেন, এমতাবস্থায় হাসান ও হুসাইন চলে আসল। তাদের গায়ে ছিল দু’টি লাল জামা, তারা হোঁচট খেতে খেতে চলছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বার থেকে নেমে তাদের উঠালেন ও সামনে রাখলেন। অতঃপর বললেন: আল্লাহ সত্য বলেছেন:

﴿ إِنَّمَآ أَمۡوَٰلُكُمۡ وَأَوۡلَٰدُكُمۡ فِتۡنَةٞۚ ١٥ ﴾ [التغابن : ١٥]

‘নিশ্চয় তোমাদের সম্পদ ও সন্তান ফিতনা’।[6] এ দু’টি বাচ্চাকে আমি দেখলাম হাঁটছে ও হোঁচট খাচ্ছে, আমি ধৈর্য ধরতে পারলাম না, কথা বন্ধ করে তাদেরকে উঠিয়ে নিলাম”।[7]

অনুরূপ কোনো ষড়যন্ত্রকারীকে নিজ ষড়যন্ত্রে ফাঁসতে দেখে যদি কেউ বলে, আল্লাহ সত্যি বলেছেন:

﴿ وَلَا يَحِيقُ ٱلۡمَكۡرُ ٱلسَّيِّئُ إِلَّا بِأَهۡلِهِۦۚ ٤٣ ﴾ [فاطر: ٤٣]

“কিন্তু কুটচক্রান্ত কেবল তার ধারককেই পরিবেষ্টন করবে”।[8] এরূপ বলা বৈধ।

শায়খ আব্দুল্লাহ ইবনে বায রাহিমাহুল্লাহ বলেন: “কেউ যদি আল্লাহর কিতাব তিলাওয়াত করার সময় আশ্চর্য কোনো বিষয় দেখে অবাক হয়, তার বরকত অনুধাবন করে, অতঃপর কুরআনের মহত্ত্বকে স্মরণ করে বলে, صدق الله العظيم সুবহানাল্লাহ কি চমৎকার! তাহলে সমস্যা নেই; তবে প্রত্যেকবার তিলাওয়াত শেষে ‘সাদাকাল্লাহুল আজিম’ বলার কোনো প্রমাণ অনেক অনুসন্ধান ও আহলে ইলমের সাথে আলোচনা করেও আমরা পাইনি”।[9]

সন্দেহ নেই, ‘সাদাকাল্লাহ’ বলা একটি যিকর, তবে এ যিকরকে নির্দিষ্ট সময়, অথবা নির্দিষ্ট স্থান, অথবা নির্দিষ্ট অবস্থার সাথে সম্পৃক্ত করার জন্য অবশ্যই দলিল প্রয়োজন, বিনা দলিলে কুরআনুল কারিম তিলাওয়াত শেষে বলা যাবে না। কারণ, ফিকহের নীতি হচ্ছে: “ইবাদতের প্রকৃতি নিষিদ্ধ ও হারাম থাকা আর আল্লাহর সৃষ্ট-বস্তুর প্রকৃতি বৈধ ও হালাল থাকা”। অর্থাৎ কোনো ইবাদত অস্বীকার বা প্রত্যাখ্যান করার জন্য দলিলের প্রয়োজন নেই, তবে প্রমাণ করার জন্য অবশ্যই দলিলের প্রয়োজন।

ইবাদত প্রমাণ হওয়ার পর অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই; অতএব কোনো আমল সম্পর্কে যদি কেউ বলে, এটা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম করেন নি ঠিক, কিন্তু এ আমলকে তিনি নিষেধও করেননি, তাই এতে সমস্যা নেই। এটা তার কুরআন-হাদিস সম্পর্কে চরম মূর্খতা ও দীন সম্পর্কে নিরেট অজ্ঞতার প্রমাণ। কারণ, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম করেন নি এটাই তার নিষেধাজ্ঞার বড় প্রমাণ, যেহেতু এটা ইবাদত। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে, তার সাহাবীদের যুগে ও তাদের অনুসারী তাবেয়ীদের যুগে সাদাকাল্লাহু বলার কোনো প্রচলন ছিল না। যদি তিলাওয়াত শেষে সাদাকাল্লাহু বলা বৈধ হত অবশ্যই নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার উম্মতকে বলে দিতেন।

একদা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুকে বলেন:

((اقرأ علي القرآن، فقال: يا رسول الله أقرأ عليك وعليك أنزل؟ قال: إني أحب أن أسمعه من غيري، فقرأت عليه سورة النساء حتى جئت إلى هذه الآية: فكيف إذا جئنا من كل أمة بشهيد وجئنا بك على هؤلاء شهيداً ـ قال: حسبك الآن، فالتفت إليه فإذا عيناه تذرفان)). مُتفق عَليه.

“আমাকে কুরআন পড়ে শোনাও, তিনি বলেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমি আপনাকে কুরআন পড়ে শোনাব, অথচ আপনার উপর কুরআন নাযিল হয়েছে! তিনি বললেন: আমি অপর থেকে কুরআন শোনা পছন্দ করি। অতঃপর আমি তাকে সূরা নিসা পাঠ করে শোনাই, যখন এ আয়াতের নিকট পৌঁছি:

﴿ فَكَيۡفَ إِذَا جِئۡنَا مِن كُلِّ أُمَّةِۢ بِشَهِيدٖ وَجِئۡنَا بِكَ عَلَىٰ هَٰٓؤُلَآءِ شَهِيدٗا ٤١ ﴾ [النساء : ٤١]

‘অতএব কেমন হবে যখন আমি প্রত্যেক উম্মত থেকে একজন সাক্ষী উপস্থিত করব এবং তোমাকে উপস্থিত করব তাদের উপর স্বাক্ষীরূপে?’[10] তিনি বললেন, ‘হাসবুকা’ তুমি এখন যথেষ্ট কর। আমি তার দিকে তাকিয়ে দেখি, তার দু’চোখ অশ্রু ঝরাচ্ছে”।[11]

শায়খ আব্দুল্লাহ ইবনে বায রাহিমাহুল্লাহ বলেন: “আমাদের জানা-মতে কোনো আহলে ইলম ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণনা করেননি যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের حسبك বলার পর  صَدَقَ اللهُ الْعَظِيْمُ বলে কুরআন খতম করেছেন। অর্থাৎ ‘সাদাকাল্লাহুল আজিম’ বলে কুরআন খতম করার কোনো ভিত্তি পবিত্র শরীয়তে নেই, তবে কোনো উপলক্ষ্যকে কেন্দ্র করে বলা যায়, হোক সেটা তিলাওয়াতের মুহূর্ত কিংবা তার বাইরের মুহূর্ত, স্বাভাবিক হালতে তিলাওয়াত শেষে নয়”।[12]

শায়খ উসাইমীন রাহিমাহুল্লাহ বলেন: ‘সাদাকাল্লাহু বলে কুরআন তিলাওয়াত শেষ করা বিদআত, কারণ নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তার সাহাবীদের থেকে প্রমাণিত নেই যে, তারা ‘সাদাকাল্লাহুল আজিম’ বলে তিলাওয়াত শেষ করেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

((عليكم بسنتي وسنة الخلفاء الراشدين المهديين من بعدي تمسكوا بها وعضوا عليها بالنواجذ وإياكم ومحدثات الأمور، فإن كل محدثة بدعة وكل بدعة ضلالة)).

“আমার পর তোমাদের উপর অবধারিত আমার সুন্নত ও খোলাফায়ে রাশেদার সুন্নত, তোমরা তা আঁকড়ে ধর ও মাড়ির দাঁত দ্বারা কামড়ে ধর। খবরদার! তোমরা নব-আবিষ্কৃত বস্তু (বিদআত) থেকে সাবধান থাক। কারণ প্রত্যেক নব-আবিষ্কার বিদআত, প্রত্যেক বিদআত গোমরাহী। সুতরাং তিলাওয়াতকারী সর্বশেষ আয়াত পাঠ করেই তিলাওয়াত শেষ করবে, তার সাথে কোনো বাক্য যোগ করবে না”।[13]

সাদাকাল্লাহু বলার প্রচলন:

এ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের উত্তরে ‘কাতারে’র ওয়াকফ মন্ত্রনালয় কর্তৃক পরিচালিত ‘ইসলাম ওয়েব’ islamweb.net সাইটের 139452 নং ফতোয়ায় বলা হয়েছে: “কিভাবে ও কবে থেকে সাদাকাল্লাহুল আজিম বলার প্রচলন ঘটেছে জানা যায়নি। পূর্ববর্তী কতক নেককার লোক ‘সাদাকাল্লাহুল আজিম’ উল্লেখ করেছেন, কিন্তু তার পশ্চাতে কোনো দলিল পেশ করেননি; যেমন হাফেয ইবনুল জাযারি ‘আন-নাশর’ কিতাবে বলেন: আমার কতক শায়েখকে দেখেছি, তারা কুরআন খতম করে বলতেন:

صدق الله العظيم وبلغ رسوله الكريم، وهذا تنزيل من رب العالمين، ربنا آمنا بما أنزلت واتبعنا الرسول فاكتبنا مع الشاهدين.

ইমাম কুরতুবি রাহিমাহুল্লাহ তার তাফসীরে বলেন: হাকিম তিরমিযি আবু আব্দুল্লাহ ‘নাওয়াদিরুল উসুল’ কিতাবে বলেন: কুরআনুল কারিমকে সম্মান প্রদর্শনের একটি দিক হচ্ছে, তিলাওয়াত শেষে আল্লাহকে সত্যারোপ করা এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে আমাদের নিকট দীন পৌঁছিয়েছেন তার সাক্ষ্য প্রদান করা; কুরআন হক এ কথারও সাক্ষ্য প্রদান করা, যেমন বলা:

صدقت رب وبلغت رسلك، ونحن على ذلك من الشاهدين، اللهم اجعلنا من شهداء الحق، القائمين بالقسط، ثم يدعو بدعوات.

এ থেকে আমাদের ধারণা চতুর্থ হিজরিতে এ বাক্যটির প্রচলন ঘটেছে, কারণ তিরমিযি আলহাকিম চতুর্থ শতাব্দির আলেম ছিলেন, তবে তার পূর্বেও এর প্রচলন ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। আল্লাহ ভালো জানেন”।

সৌদি আরবের উলামা পরিষদের ফতোয়া:

কুরআনুল কারিম তিলাওয়াত শেষে সাদাকাল্লাহুল আজিম বলা বিদ‘আত, কারণ নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম, খোলাফায়ে রাশেদা ও অন্যান্য কোনো সাহাবী থেকে এরূপ প্রমাণিত নেই, তাদের পরবর্তী কোনো ইমাম থেকেও নয়। অথচ তারা কুরআন তিলাওয়াত করতেন, কুরআনের প্রতি আমাদের অপেক্ষা তাদের গুরুত্ব বেশী ছিল এবং তারা কুরআন সম্পর্কে বেশী জানতেন। তাই তিলাওয়াত শেষে ‘সাদাকাল্লাহুল আজিম’ বলা বিদ‘আত। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:

((مَنْ أَحْدَثَ فِي أَمْرِنَا هَذَا مَا لَيْسَ فِيهِ فَهُوَ رَدٌّ )). رواه البخاريو مسلم و قال صلى الله عليه وسلم ((مَنْ عَمِلَ عَمَلًا لَيْسَ عَلَيْهِ أَمْرُنَا فَهُوَ رَدٌّ )). رواه مسلم.

“যে আমাদের দীনে নতুন কিছু সৃষ্টি করল, যা তার অন্তর্ভুক্ত নয়, তা পরিত্যক্ত”।[14]

ইমাম মুসলিম বর্ণনা করেন: “যে ব্যক্তি এমন আমল করল, যার উপর আমাদের দীন নেই, তা পরিত্যক্ত”।[15] দেখুন: লাজনায়ে দায়েমা: (খ.৪, পৃ.১১৮)

তথ্যসূত্র :

[1] নাসায়ি আস-সুগরা: (১৫৭৮)

[2] সূরা আলে-ইমরান: (৯৫),

[3] সূরা নিসা: (৮৭),

[4] সূরা নিসা: (১২২)

[5] দেখুন: বিদাউল কুররা গ্রন্থ।

[6] সূরা তাগাবুন: (১৫)

[7] তিরমিযি ও হাকিম, হাকিম বলেন: হাদিসটি মুসলিমের শর্ত মোতাবেক সহি, তবে বুখারি-মুসলিম কেউ হাদিসটি বর্ণনা করেননি, ইমাম যাহাবি রহ. তার সমর্থন করেছেন। আলবানি রহ. হাদিসটি সহি বলেছেন।

[8] ফাতির: (৪৩)

[9] দেখুন: শায়খ আব্দুল্লাহ বিন বায রহ., ফতোয়া ইসলামিয়াহ।

[10] সূরা নিসা: (৪১)

[11] বুখারি: (৫০৪৯), মুসলিম: (৮০২)

[12] মাজমু ফতোয়া ও মাকালাত: (খ.৭)

[13] ফতোয়া নুরুন আলাদ-দারব: (খ.৫, পৃ.২)

[14] বুখারি: (২৬৯৭)

[15] মুসলিম: (১৭২১)

মতামত দিন