নারী

পর্দা – নারীদের বাচাঁর পথ

আলহামদুলিল্লাহ ওয়াস্ব সলাতু ওয়াস্ব সলামু আ’লা রসুলুল্লাহ (সাঃ)। আজকে এমন একটি বিষয় উপস্থাপন করতে যাচ্ছি যেটা আমাদের পুরো পৃথিবীর অর্ধেকের ও বেশি জনসংখ্যাকে জাহান্নামের নিয়ে যাবে এবং যাচ্ছে। এবং জনসংখ্যার অর্ধেকই হল, নারী আর রসুল (সঃ) বলেছেনঃ “অধিকাংশ জাহান্নামীরাই নারী” (বুখারী ও মুসলিম)

মুল বিষয়ে যাওয়ার আগে আমি ◄ ২টি কুর’আনের আয়াত আর ১টি সহীহ হাদিস ► দেব আর মুসলিম হয়ে থাকলে এর বাহিরে আপনি (বোন) যেতে পারবেন না এটাই চুড়ান্ত। আসুন পড়ি,

♥ মহান আল্লাহ বলেনঃ

“আল্লাহ ও তাঁর রসুল (সঃ) কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত (বিধান বা আদেশ) দিলে কোন মু’মিন পুরুষ ও নারীর কোন ক্ষমতা নেই তার বাহিরে কথা বলার, কেউ যদি আল্লাহ ও তাঁর রসুলের আদেশ অমান্য করে তাহলে সে স্পষ্ট পথভ্রষ্ট।” (সুরা আহযাবঃ ৩৬)

দেখুন, আল্লাহ যিনি আপনাকে আমাকে সৃষ্টি করেছেন যিনি যে কোন সময়ে আমাকে আপনাকে মৃত্যু দিবেন এবং কবরে নিয়ে প্রশ্ন করাবেন, যিনি হাশরের ময়দানে আপনাকে দাড় করাবেন তিনি কি বুঝাচ্ছেনঃ

✔ ১. ওহে! ঈমানদারগন (এর মানে আপনাকে ঈমান আনতে হবে আল্লাহ থেকে আসা ৬ টি বিষয়ের উপর)

✔ ২.  যদি আল্লাহ ও তাঁর রসুল (সঃ) কোন বিধান দিয়ে দেয় (মুসলিম বোন এখন আপনি)

✔ ৩. তাহলে কোন টু শব্দ করা যাবে না ঐ বিধান মানার ক্ষেত্রে (যেহেতু আপনি ঈমান এনেছেন তাহলে কথা বাড়ানোর প্রশ্নই আসে না কেননা আপনি যদি ইয়াহুদী বা খৃষ্টান হতেন বা কাফর মুশরিক হতেন তাহলে বিধান নিয়ে আপত্তি বা ওজর দেখাতেন কিন্তু আপনি বলছেন আপনি মুসলিম তাহলে কোন কথা বলার অবকাশ নাই)

✔ ৪. যদি বলেন তাহলে ?? তাহলে, সোজা পথভ্রষ্ট আর পথভ্রষ্ট মানে … জাহান্নাম (আর জাহান্নাম বুঝতে কষ্ট হলে বোন ! একবার আগুনের কাছে যান আর হাতটা আগুনে ৩০ সেকেন্ড দিয়ে রাখুন দেখুন কেমন লাগে!! এর চাইতেও ৭০ গুন ভয়াবহ ঐখানের অবস্থা তার উপর মেয়েরা সবচেয়ে বেশি জাহান্নামে যাবে এটা শুনলে ভয় আরো বেশি পাওয়া উচিৎ)

 

♦ আয়াত এর ব্যাখ্যা পড়া শেষ? তাহলে যা বুঝলেন সেটার উপর আমাল শুরু করে দিন। আর না বুঝলে আবার পড়ুন আল্লাহর কাছে বুঝার জন্য সাহায্য চান কেননা আপনাকে মরতে হবেই আর আল্লাহর সামনে জবাব দিতে হবেই তাই মৃত্যুর আগেই কুর’আনের বিধান বুঝুন।

 

★ ☆ ✰এবার আসি ২ নং আয়াতে,

♥ মহান আল্লাহ বলেনঃ

“ব্যভিচারী পুরুষ কেবল ব্যভিচারিণী নারী অথবা মুশরিকা নারীকেই বিয়ে করে এবং ব্যভিচারিণীকে কেবল ব্যভিচারী অথবা মুশরিক পুরুষই বিয়ে করে এবং এদেরকে মুমিনদের জন্যে হারাম করা হয়েছে।” (সুরা নূরঃ ৩)

 

এই আয়াত বুঝার জন্য আমাদের একটা হাদিস লাগবে। রসুল (সঃ) যিনি আমাদের সর্বশেষ নাবী ও রসুল যিনি আমাদের আখিরাতে বাঁচার জন্য কুর’আনের জ্ঞান শিক্ষা দিয়ে গেছেন, যিনি আমাদের একমাত্র আদর্শ কেন্দ্রীয় ব্যাক্তিত্ব, যার স্ত্রীরা আমাদের মা, যার স্ত্রীরা আমাদের জন্য উপদেশ স্বরুপ তাদের জীবনযাপন ও আমাদের অনুসরনীয় সেই মহান ব্যাক্তি একটি হাদিস বলছেনঃ

 

▓ “সেন্ট বা আতর বিলাবার উদ্দেশ্যে যদি কোন নারী ব্যবহার করে বেগানা পুরুষের সামনে যায়, তাহলে সে বেশ্যা (ব্যাভিচারীনি) মেয়ে” (আবু দাউদ, মিশকাতুল মাসাবীহ) ▓

 

এবার আয়াত খেয়াল করুন বোন! ব্যাভিচারীনির সাধারন সংজ্ঞা কি পেলেন হাদিস থেকে?? যদি সাধারন একটু আতর বা সেন্ট মেখে রাস্তায় ছেলেদের সামনে গেলেই ব্যাভিচারীনি হয়ে যায় একজন মেয়ে তাহলে তার পরিপুরন পর্দা না হলে তাকে আর কিই বলা যেতে পারে একটু ভেবে দেখুন তো!!

 

★ ☆ ✰ এখন আয়াতে  লক্ষ্য করুনঃ

➝ ১. ব্যাভিচারীনি মেয়েদের জন্য একমাত্র রয়েছে ব্যাভিচারীনি ছেলে (আপনি কি চান আপনার স্বামী বেহায়া আর দুশ্চরিত্র হোক??)

➝ ২. একই ভাবে মুশরিক ছেলেদের জন্য মুশরিক মেয়েরাই আছে FIXED (শিরক থেকে বেচে থাকুন)

➝ ৩. আর মু’মিনদের জন্য এরা হারাম (আশা করছি আপনি মুসলিম বোন তাই এক্ষেত্রে আপনাকে আবার বলছি ১ম আয়াত পড়ুন আবার এবং নিজেকে প্রশ্ন করুন “আমি কি আসলেই মু’মিন কি না?”)

 

❤ আমার আয়াত আর হাদিস দেয়া শেষ হল এবার আমি নারী সমাজকে ৩ ভাগে ভাগ করবঃ

১. কুমারী        ২. বিবাহিত         ৩. মাতা

 

আপনি যাই হোন না কেন আপনি একজন নারী এটাই মুখ্য বিষয়।  আপনার জন্য ফরজ করা হয়েছে অনেক গুলো বিষোয় এর মধ্যে:

★ ১. আপনি শিরক মুক্ত – (আলহামদুলিল্লাহ, কেননা শিরক এর গুনাহ আল্লাহ ক্ষমা করেন না তাই আগে ভালো ভাবে শিরক এর ব্যাপারে জানুন কেননা অনেক শিরক আছে যা আমাদের অন্তরে হয়ে থাকে কিন্তু ভালো ভাবে না জানার কারনে সেটা জাহান্নামে যাওয়ার ও চিরস্থায়ী হওয়ার কারন হয়ে যায়)

★ ২. আপনি পাচ ওয়াক্ত সালাত পড়েন  – (আলহামদুলিল্লাহ, কেননা রসুল (সঃ) বলেন যে বযাক্তি এক ওয়াক্ত সালাত ত্যাগ করল সে কাফের হয়ে গেল… তার মানে আপনি মুসলিম এই কথাটা মুখ দিয়ে বলাতে গেলেও পাচ ওয়াক্ত সালাত পড়তেই হবে এবং সেটা মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কোন মাপ নেই)

★ ৩. আপনি হারাম থেকে বেচে থাকেন – (আলহামদুলিল্লাহ, অনেক ভালো কারন অনেকে সুদী ব্যাংকে চাকুরী করে টাকা কামায়, হারাম ব্যবসা করে, মদ খায় এভাবে নিজেদের আমাল ধংস করে)

 

♥ এখন আল্লাহ আপনার জন্য বলছেনঃ

“ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের যৌন অঙ্গের হেফাযত করে। তারা যেন যা সাধারণতঃ প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বুকের উপর ফেলে রাখে এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ, ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত কারো আছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে, তারা যেন তাদের গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোরে হাটাচলা না করে। মুমিনগণ, তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও।”

(সুরা নুরঃ ৩১)

 

★★★ কিন্তু , আপনি পর্দা করেন না – (আ’উজুবিল্লাহ! আস্তাগ ফিরুল্লাহ, এটা কি ঠিক বোন? আপনার কি মনে হয় শুধু মনের পর্দাই বড় পর্দা??)

*********************************

তাহলে মনে রাখবেনঃ

★ঈমান = অন্তরে বিশ্বাস x মুখে প্রকাশ x আমাল করা

এর একটিও যদি বাদ থাকে তাহলে ঈমান = ০ তাহলে আপনি মু’মিন থাকতে পারবেন না তার মানে … আবার আগের দুইটা আয়াত পড়ে আসেন কি ভয়াবহ অবস্থা …

 

পর্দা – নারীদের জন্য অতন্ত্য জরুরী

★★★★★★★★★★★★★★★★★

প্রথমত আপনি কুমারী বা কিশোরী, আপনার বয়স যতই বাড়ে আপনি ততই আকর্ষনীয় হতে থাকেন এক জন পুরুষের কাছে। প্রশ্ন হল, এতে মেয়েদের কি দোষ? যদি পুরুষেরা আকর্ষিত হয়… কথা ঠিক কিন্তু বোন, আপনি কি খাবার প্লেটে খাবার কি উদাম করে রাখেন? না ! রাখেন না বরং ভালো ভাবে ঢেকা রাখেন যেন জীবানু না পড়ে। এর মানে আপনি খাবারের উপর জীবানু পড়ার বাপারে সচেতন অথচ জীবানু পরলেই বা কি তাই না??

অথচ খাবার ময়লা বা নষ্ট হলে আপনার খাওয়াতে সমস্যা হবে এতে আপনারই রোগ হবে তাই এত আগে ভাগেই নিরাপত্তা দিয়ে রাখলেন। ধরুন একই যুক্তিতে আজ কোন খারাপ লোক আপনার পর্দা ছাড়া দেহের দিকে তাকিয়ে মনোরঞ্জন করল আর আরেকদিন আপনাকে নিয়ে সরাসরি কু-মন্ত্যব্য করল আর আরেক দিন সরাসরি খারাপ আচরন করল এতে কি প্রমানিত হয়? আপনি নিজেকে ঢেকে রাখতে পারেন নি তাই নষ্ট হয়ে গেছেন জীবানু দ্বারা।

কুমারী থেকে এখন আপনি বিবাহিত … আপনার স্বামী আছে কিন্তু আপনি পর্দা করছেন না এখনো … নিজের ভুল এখনো শুধরে নিলেন না। এবার আপনার দেহের গঠন আরো সুন্দর হল কেননা ডাক্তারি ভাষায় একজন মেয়ের রুপ-সৌন্দর্য আর দেহের গড়ন সবচেয়ে সুন্দর হয় তার বিয়ের কিছুদিন পর পরই। আস্তে আস্তে সেটা নষ্ট হতে থাকে।

এবার আপনার স্বামীর বন্ধুরা আপনাকে দেখে আর ওরা ওরা ঠিকই নিজেদের মধ্যে আপনার শরীর নিয়ে আলোচনা করে এটাই বাস্তব।

 

এখন এই দুই ক্ষেত্র পর্যালোচনা করি, কুমারী মেয়ে আপনি ইচ্ছা করেই নিজের যৌবন প্রকাশ করে ছেলেদের সামনে ঘুরছেন আর তাদের সুযোগ দিচ্ছেন। কিন্তু আপনি দাবী করছেন আপনি মুসলিম আর আল্লাহ ও তাঁর রসুল(সঃ) বলছেন আপনাকে পর্দার কথা (ফরজ) কিন্তু আপনি সেটা শুনছেন না এর মানে স্পষ্ট পথভ্রষ্ট আর আরেক ভাষার ব্যাভিচারীনি।  রাগ হয়ে লাভ নেই, এটা আমার কথা নয় বোন এটা কুর’আন হাদিসের কথা।

 

যেহেতু আপনি পর্দাহীন অবস্থার নিজেকে বেহায়াপনায় রেখেছেন তাই আল্লাহ আপনাকে এমন স্বামীই দিলেন যে কিনা দুশ্চরিত্র আর এভাবে আপনি বিশাল লস করলেন।  নব-বিবাহিত বোন! তার পরেও শুধরালেন না পর্দা করলেন না এখন নিজেকে প্রকাশ করছেন এর মানে আবারো আপনি জাহান্নামের দিকে চলে যাচ্ছেন।

 

আপনি যখন এক সন্তানের মা হলেন তখন আপনার মনে কিছুটা পবিত্র সম্পর্ক, মায়া, মাতৃর্ত্ব জম্মালো সন্তানের প্রতি। এখন হয়তো আপনি পর্দা করছেন কিন্তু সেটা আবার আল্লাহর জন্য না শুধু ছেলে মেয়েদের কাছে সম্মান আর তাদের স্কুল কলেজে নিয়ে যেতে হবে তাই কাপড় চেঞ্জ করতে সমস্যা বারবার তাই একটা বোরকা নিয়ে ধাপ করে পরে নিলেন অথবা ছেলে মেয়ে হওয়ার পর মোটা হয়ে সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে গেছে তাই ঢেকে রাখার জন্য একটা বোরকা নিলেন কিন্তু অন্তরে পর্দার ছিটে ফোটাও নেই। আল্লাহ আপনার এই মুনাফেকি পর্দা কবুল করবেন না।

 

“আরো নতুন কিছু পর্দার কথা আসি, একজন মেয়ে হিজাব পড়ে মাথায় কিন্তু টাইট ফিট জামা আর প্যান্ট পড়ে ছেলেদের সাথে ঘুরে, আবার ওড়না নেই কিন্তু মাথা স্কার্ফ, বোরকা পড়ে ঠিকই কিন্তু কোন অনুষ্ঠানে গেলে এমন সাজ দেয় যে মাথা ঘুরে যায়, বোরকা পড়ে কিন্তু হাল্করা উপর ঝাপসা কাপড়ের বোরকা, এমন পর্দা করে যে প্রেম ও করে আবার পর্দা ঠিকই করে কিন্তু পাচ ওয়াক্ত নামাজী না … এভাবে কত কিসিমের মেয়ে আছে। একবার নিজের সাথে মিলিয়ে দেখুন আপনি কোন ক্যাটেগরিতে আছেন। হোক সে আমার মা-বোন-স্ত্রী কিন্তু সবার আগে সে আল্লাহর বান্দী তাই তাকে এটা নিয়ে আগে ভাবতে হবে। ওই সন্তান কিভাবে  মাকে পবিত্র মনে করে শ্রদ্ধা করবে যে কিনা জানবে, তার মা একসময় বেপর্দা অবস্থায় ছেলেদের সাথে চলত তাদের দ্বারা ভোগ হয়েছে আবার এখন যে পর্দা করছে সেটাও আল্লাহর জন্য না সমাজের লোকমুখের ভয়ে।”

 

বোন আপনি এখন হয়তো একজন কিশোরী দুইদিন পরে যুবতী আরো কিছুদিন পরে পরিপুর্ন নারী এর পরে নব-বিবাহিত এর পরে আবার মা এর পরে বৃদ্ধা এভাবে একদিন মারা যাবেন…

একটু হিসাব করি আসেনঃ

 

আপনি বালেগ বয়স থেকে পর্দা করেন না এতে আপনাকে যতবার যত ছেলে দেখেছে তাদের সম পরিমান গুনাহ আপনার খাতায় জমা হচ্ছে, আপনি কুমারী-যুবতী এখনো পর্দা করেন না আবারো আপনার কারনে যত পুরুষ খারাপ চিন্তা ও কামনা করছে সে কারনে আপনি সমান সমান গুনাহ পাচ্ছেন, আপনি নব বিবাহিতা এখনো আপনি পর্দা করেন না আরো ভয়াবহ এতে পরকীয়া হওয়ার সম্ভবনা থাকে আর এর মানে এত বেশি গুনাহ যে বলার বাহিরে … এবার আসেন জীবনে কত ছেলে আপনাকে দেখলো আর কত কু-চিন্তা করল আপনার পর্দাহীনতার জন্য এত গুনাহ এত মানুষের কিভাবে সামাল দিবেন ঐ হাশরের দিন আল্লাহর সামনে, ভেবেছেন কি? নাকি আপনার মনে হচ্ছে আপনি পার পেয়ে যাবেন?

 

আল্লাহর তরফ থেকে আমি আপনাকে একটি মাত্রই উপদেশ দিতে পারি যেহেতু আপনি মুসলিম,

তাই বোন!! আপনার নিজের ও অন্যের হেফাযাতের জন্য পর্দা করা ফরজ। মনে রাখবেন উপরের কথা গুলো আপনি যদি নিজের যুক্তি দিয়ে বাদ দিতে চান তাহলে জেনে রাখুন আমাদের রব আল্লাহ এত বেশি মহান আর এত এত বেশী শক্তিশালী যে তিনি আপনার যুক্তি আর ওজরকে এক নিমিষেই ছুড়ে ফেলে দিতে পারেন আর তার ক্ষমতা এত বেশি যে আপনি তার বিধানে আপত্তি তুললে তিনি আপনাকে যখন তখন জাহান্নামে ছুড়ে দিতে পারেন কেননা আমি আগেও হাদিস বলেছি “অধিকাংশ মানুষই জাহান্নামে যাবে আর অধিকাংশ নারীরাই জাহান্নামী”  তাই কোন ওজর আর লোকলজ্জা বাদ দিয়ে আজ থেকে আল্লাহর জন্য তাঁর ভালোবাসায় তাঁর বিধানে পর্দা শুরু করুন। আর এখনো যদি বুঝতে কষ্ট হয় তাহলে আবার প্রথমে আয়াত দুটি পড়ে আসুন কেননা আপনি নিজেই বলছেন আপনি মুসলিম অথচ আপনি পর্দার বিধান মানছেন না এটা মুনাফেকী!

 

সর্বশেষে আপনাকে বলছি বোন! আপনি যেই হোন না কেন উপরের কথা গুলো কড়া বা কঠিন হতে পারে কিন্তু বাস্তব এরকমই, বিধান এসে গেছে মুসলিম নারী আপনি আর কোন টু শব্দ করার অবকাশ নেই আপনার এখন থেকেই পর্দা ফরজ শুরু আপনাকে করতেই হবে। আর পর্দা মানে পরিপুর্ন পর্দা»

 

‘জিলবাব’ অর্থ বড় চাদর, যা দ্বারা মুখমন্ডল ও পূর্ণ দেহ আবৃত করা যায় এরকম কাপড় আর খিমার হল যা দিয়ে মাথা ঢাকা হয় এরকম হিজাব-নিকাব ও কাপড় পরিধান করা আবশ্যক।

 

তাই আল্লাহর ওয়াস্তে আপনাকে জাহান্নাম থেকে বাঁচানোর জন্য এই সামান্য কঠোর প্রয়াস। আল্লাহ আপনাকে এখন থেকেই বুঝার তাওফীক দিন আমালের তাওফীক দিন আমিন।

সূত্র

মতামত দিন