প্রশ্ন ও উত্তর

শহীদ কে?

‘শহীদ’ শব্দটি শরয়ী পারিভাষিক। অন্য কোন পরিভাষায় শহীদ শব্দের প্রতিশব্দ নেই। আর সেই কারণেই অমুসলিম বা অশরয়ী কারণে প্রাণদাতাকেও ‘শহীদ’ বলে আখ্যায়ন করা হয়ে থাকে।

শরয়ী কারণে শহীদ হল দুই শ্রেণীর। আসল ও প্রকৃত শহীদ। আর তিনি হলেন ধর্মযুদ্ধে প্রাণদাতা মুসলিম।

অতঃপর রয়েছেন সেই মর্যাদাপ্রাপ্ত মৃতব্যক্তি, যিনি ধর্মযুদ্ধে নিহত না হয়েও ‘শহীদ’ নাম ও তাঁর মর্যাদা তথা সওয়াব অর্জন ক’রে থাকেন।

পক্ষান্তরে  যেখানে ঈমান নেই, সেখানে ‘শহীদ’ শব্দের প্রয়োগ অপপ্রয়োগ।


এখন দেখে নেওয়া যাক ইসলামে প্রকৃত শহীদ ও মর্যাদাপ্রাপ্ত শহীদ কে কে, তাঁদের কীর্তি কী এবং তাতে সওয়াব বা পুরস্কার কী?

১। জিহাদের ময়দানে খুন হওয়া। আল্লাহ বলেন,

((وَلا تَحْسَبَنَّ الَّذِينَ قُتِلُوا فِي سَبِيلِ اللهِ أَمْوَاتاً بَلْ أَحْيَاءٌ عِنْدَ رَبِّهِمْ يُرْزَقُونَ (১৬৯) فَرِحِينَ بِمَا آتَاهُمْ اللهُ مِنْ فَضْلِهِ وَيَسْتَبْشِرُونَ بِالَّذِينَ لَمْ يَلْحَقُوا بِهِمْ مِنْ خَلْفِهِمْ أَلاَّ خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلا هُمْ يَحْزَنُونَ (১৭০) يَسْتَبْشِرُونَ بِنِعْمَةٍ مِنْ اللهِ وَفَضْلٍ وَأَنَّ اللهَ لَايُضِيعُ أَجْرَ الْمُؤْمِنِينَ)) (১৭১) آل عمران

অর্থাৎ, যারা আল্লাহর পথে (জিহাদে) নিহত হয়েছে তাদেরকে কখনই মৃত মনে করো না, বরং তারা তাদের প্রতিপালকের নিকটে জীবিত ও তারা জীবিকা প্রাপ্ত হয়ে থাকে। আল্লাহ নিজ অনুগ্রহ তাদেরকে যা দিয়েছেন তাতে তারা আনন্দিত। আর তাদের পিছনের যারা এখনো তাদের সাথে মিলিত হয়নি তাদের জন্য আপোসে আনন্দ প্রকাশ করে এই নিয়ে যে, তাদের কোন ভয় নেই এবং তারা দুঃখিতও হবে না। আল্লাহর নিয়ামত ও অনুগ্রহ পেয়ে তা আপোসে আনন্দ প্রকাশ করে। আর নিশ্চয় আল্লাহ মুমিনদের শ্রম-ফল নষ্ট করেন না। (সূরা আ-লি ইমরান ১৬৯-১৭১ আয়াত)

এই হল প্রকৃত শহীদদের মর্যাদা, যাঁরা যুদ্ধের ময়দানে কাফেরদের আঘাতে নিহত হন। আর রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

((إِنَّ لِلشَّهِيدِ عِنْدَ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ سِتَّ خِصَالٍ أَنْ يُغْفَرَ لَهُ فِي أَوَّلِ دَفْعَةٍ مِنْ دَمِهِ وَيَرَى قَالَ الْحَكَمُ وَيُرَى مَقْعَدَهُ مِنْ الْجَنَّةِ وَيُحَلَّى حُلَّةَ الْإِيمَانِ وَيُزَوَّجَ مِنْ الْحُورِ الْعِينِ وَيُجَارَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَيَأْمَنَ مِنْ الْفَزَعِ الْأَكْبَرِ قَالَ الْحَكَمُ يَوْمَ الْفَزَعِ الْأَكْبَرِ وَيُوضَعَ عَلَى رَأْسِهِ تَاجُ الْوَقَارِ الْيَاقُوتَةُ مِنْهُ خَيْرٌ مِنْ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا وَيُزَوَّجَ اثْنَتَيْنِ وَسَبْعِينَ زَوْجَةً مِنْ الْحُورِ الْعِينِ وَيُشَفَّعَ فِي سَبْعِينَ إِنْسَانًا مِنْ أَقَارِبِه))

“মহান আল্লাহর নিকট শহীদের জন্য রয়েছে ৬টি দান; তার রক্তের প্রথম ক্ষরণের সাথে তার পাপ ক্ষমা করা হবে, জান্নাতে তার বাসস্থান দেখানো হবে, কবরের আযাব থেকে নিষ্কৃতি দেওয়া হবে, কিয়ামতের মহাত্রাস থেকে নিরাপত্তা পাবে, ঈমানের অলঙ্কার পরিধান করবে, সুনয়না হুরীদের সাথে তার বিবাহ দেওয়া হবে এবং তার নিজ পরিজনের মধ্যে ৭০ জনের জন্য তার সুপারিশ গ্রহণযোগ্য হবে।” (আহমাদ ১৭১৮২, তিরমিযী ১৬৬৩, ইবনে মাজাহ ২৭৯৯, সহীহ তিরমিযী ১৩৫৮নং)

২। আল্লাহর পথে জিহাদে থেকে গাজী হয়ে ইন্তেকাল করা।

অর্থাৎ, জিহাদে গিয়ে কাফেরদের আক্রমণে নিহত না হয়ে অন্য কোন কারণে মারা গেলে অথবা অতর্কিতে হামলা ক’রে অথবা ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় হত্যা করা হলেও শহীদ গণ্য হবে।

৩। প্লেগ রোগে মারা যাওয়া।

৪। পেটের যে কোন রোগে মারা যাওয়া।

৫। পানিতে ডুবে মারা যাওয়া।

একদা রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, “তোমাদের মধ্যে কাকে কাকে তোমরা শহীদ বলে গণ্য কর?” সকলে বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় (জিহাদে) নিহত হয় সেই ব্যক্তি শহীদ।’ তিনি বললেন, “তাহলে তো আমার উম্মতের শহীদ-সংখ্যা নেহাতই কম।” সকলে বলল, ‘তবে তারা আর কারা, হে আল্লাহর রসূল?’ বললেন,

((مَنْ قُتِلَ فِى سَبِيلِ اللَّهِ فَهُوَ شَهِيدٌ وَمَنْ مَاتَ فِى سَبِيلِ اللَّهِ فَهُوَ شَهِيدٌ وَمَنْ مَاتَ فِى الطَّاعُونِ فَهُوَ شَهِيدٌ وَمَنْ مَاتَ فِى الْبَطْنِ فَهُوَ شَهِيدٌ وَالْغَرِيقُ شَهِيدٌ))
“যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে (জিহাদে) নিহত হয় সে শহীদ, যে আল্লাহর পথে (গাজী হয়ে) মারা যায় সে শহীদ, যে প্লেগরোগে মারা যায় সে শহীদ, যে পেটের পীড়ায় মারা যায় সে শহীদ এবং যে পানিতে ডুবে মারা যায় সেও শহীদ।” (আহমাদ ৮০৯২নং প্রভৃতি, মুসলিম ৫০৫০নং)

৬। দেওয়াল চাপা পড়ে মারা যাওয়া।

প্রিয় নবী ﷺ বলেন,

((الشُّهَدَاءُ خَمْسَةٌ الْمَطْعُونُ وَالْمَبْطُونُ وَالْغَرِقُ وَصَاحِبُ الْهَدْمِ وَالشَّهِيدُ فِى سَبِيلِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ))

“শহীদ হল পাঁচ ব্যক্তি; প্লেগরোগে মৃত, পেটের রোগে মৃত, পানিতে ডুবে মৃত শহীদ, দেওয়াল চাপা পড়ে মৃত শহীদ এবং আল্লাহর পথে (জিহাদে) নিহত ব্যক্তি শহীদ।” (বুখারী ৬১৫, ২৮২৯, মুসলিম ৫০৪৯নং)

গাড়ি চাপা মারা গেলেও এর আওতাভুক্ত শহীদ ইন শাআল্লাহ।

৭। আগুনে পুড়ে মরা।

অনুরূপ বজ্রাঘাতে মারা গেলেও আগুনে পুড়ে মরার শামিল ইন শাআল্লাহ।

কারেন্টে শক খেয়ে যদি পুড়ে মারা যায়, তাহলে এই পর্যায়ের মরণ বলে গণ্য হবে। নচেৎ কেবল ঝটকা খেয়ে মারা গেলে আকস্মিক মৃত্যু হবে এবং তা শহীদী মরণ হবে না।

বোমার আঘাতে পুড়ে মরণ হলে শহীদ গণ্য হবে ইন শাআল্লাহ।

৮। প্লুরিসি রোগে মরা।

৯। সন্তান প্রসব করতে গিয়ে মহিলার প্রাণত্যাগ করা।

নবী করীম ﷺ বলেন,

((الشَّهَادَةُ سَبْعٌ سِوَى الْقَتْلِ فِى سَبِيلِ اللَّهِ الْمَطْعُونُ شَهِيدٌ وَالْغَرِقُ شَهِيدٌ وَصَاحِبُ ذَاتِ الْجَنْبِ شَهِيدٌ وَالْمَبْطُونُ شَهِيدٌ وَصَاحِبُ الْحَرِيقِ شَهِيدٌ وَالَّذِى يَمُوتُ تَحْتَ الْهَدْمِ شَهِيدٌ وَالْمَرْأَةُ تَمُوتُ بِجُمْعٍ شَهِيدٌ))

“আল্লাহর পথে (জিহাদে) নিহত হওয়া ছাড়া আরো সাত ব্যক্তি শহীদ হয়; প্লেগ রোগে মৃত ব্যক্তি শহীদ, ডুবে গিয়ে মৃত ব্যক্তি শহীদ, প্লুরিসি রোগে মৃত ব্যক্তি শহীদ, পেটের রোগে মৃত ব্যক্তি শহীদ, পুড়ে গিয়ে মৃত ব্যক্তি শহীদ, চাপা পড়ে মৃত ব্যক্তি শহীদ এবং সে মহিলাও শহীদ যে সন্তান প্রসব করতে গিয়ে মারা যায়।” (আহমাদ ২৩৭৫৩, আবু দাউদ ৩১১৩, নাসাঈ ১৮৪৬, হাকেম ১৩০০, ত্বাবারানী ১৭৫৫, সহীহ আবু দাউদ ২৬৬৮নং)

১০। ক্ষয় রোগে মরা।

রসূল আমীন ﷺ বলেন, “—–ক্ষয় রোগের ফলে মরণ শহীদের মরণ।” (মাজমাউয যাওয়াইদ ২/৩১৭, ৫/ ৩০১)

১১। সওয়ারী থেকে পড়ে গিয়ে মরা।

নিজের সওয়ারী থেকে পড়ে গিয়ে যে মারা যায়, সেও শহীদ। (সহীহুল জামে’ ৬৩৩৬নং)

১২। নিজের জান রক্ষা (আত্মরক্ষা) করতে গিয়ে মরা।

১৩। নিজের দ্বীন রক্ষা করতে গিয়ে মরা।

১৪। নিজের পরিবার (স্ত্রী-কন্যা-বোনের শ্লীলতা) রক্ষা করতে গিয়ে মরা।

১৫। নিজের মাল রক্ষা করতে গিয়ে মরা।

ধন-সম্পদ ডাকাতের খপ্পরে পড়লে, পরিবার পরিজন, নিজের দ্বীন বা জান বিনাশের শিকার হলে তা রক্ষা করতে গিয়ে মৃত্যুও শহীদী মৃত্যু।

নবী করীম ﷺ বলেন,

((مَنْ قُتِلَ دُونَ مَالِهِ فَهُوَ شَهِيدٌ وَمَنْ قُتِلَ دُونَ أَهْلِهِ أَوْ دُونَ دَمِهِ أَوْ دُونَ دِينِهِ فَهُوَ شَهِيدٌ))

“যে ব্যক্তি নিজের মাল রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হয় সে শহীদ, যে নিজের পরিবার রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হয় সে শহীদ, যে তার নিজের প্রাণ রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হয় সেও শহীদ এবং যে নিজের দ্বীন রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হয় সে শহীদ।” (আবু দাঊদ ৪৭৭৪, তিরমিযী ১৪২১, নাসাঈ ৪০৯৫নং)

((مَنْ قُتِلَ دُونَ مَظْلَمَتِهِ فَهُوَ شَهِيدٌ))

“যে ব্যক্তি তার প্রতি যুলুম প্রতিহত করতে গিয়ে (অন্যায়ভাবে) খুন হবে, সে শহীদ।” (আহমাদ ২৭৭৯, নাসাঈ ৪০৯৩, ৪০৯৬, সঃ জামে’ ৬৪৪৭নং)

অন্যায়ভাবে মযলুম অবস্থায় আরো মরণ যেমন, খারেজী ও সন্ত্রাসীর হাতে মরা, ছিন্তাইকারীর হাতে খুন হওয়া, যালেম শাসকের কাছে বিনা দোষে বন্দী অবস্থায় মরাতেও শহীদের সওয়াব লাভ হয়।

শহীদের মর্যাদা লাভের জন্য এ শর্ত নয় যে, আক্রমণকারীর সাথে মোকাবেলা করতে হবে। বরং অসতর্ক অবস্থাতেও হত্যা করলে শহীদী মরণ লাভে ধন্য হওয়া যাবে।

দ্বিতীয় খলীফা উমার বিন খাত্ত্বাব (রায্বিয়াল্লাহু আনহু) ফজরের নামাযের ইমামতি করা অবস্থায় খঞ্জরাাঘাতে শহীদ হয়েছিলেন। তৃতীয় খলীফা খারেজী (বিদ্রোহী)দের হাতে নিজের বাসায় অবস্থানরত অবস্থায় শহীদ হয়েছিলেন। মহানবী ﷺ তাঁদেরকে শহীদ বলে আখ্যায়িত করেছিলেন পূর্বেই।

আনাস (রায্বিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, একদা নবী ﷺ উহুদ পাহাড়ে চড়লেন। সাথে ছিলেন আবূ বাকর, উমার ও উষমান। উহুদ কেঁপে উঠল। তিনি নিজ পা দিয়ে আঘাত ক’রে বললেন,

((اثْبُتْ أُحُدُ فَمَا عَلَيْكَ إِلَّا نَبِيٌّ أَوْ صِدِّيقٌ أَوْ شَهِيدَانِ))

“স্থির হও উহুদ! তোমার উপর নবী, সিদ্দীক ও দুই শহীদ ছাড়া অন্য কেউ নেই।” (বুখারী ৩৬৮৬নং)

১৬। শহীদ হওয়ার সত্য নিয়ত রেখে মরা।

রাসূলাল্লাহ ﷺ বলেছেন,

(( مَنْ سَأَلَ اللهَ تَعَالَى الشَّهَادَةَ بِصِدْقٍ بَلَّغَهُ اللهُ مَنَازِلَ الشُّهَدَاءِ ، وَإنْ مَاتَ عَلَى فِرَاشِهِ ))

“যে ব্যক্তি সত্য নিয়তে আল্লাহর কাছে শাহাদত প্রার্থনা করবে, আল্লাহ তাকে শহীদদের মর্যাদায় পৌঁছিয়ে দেবেন; যদিও সে নিজ বিছানায় মৃত্যুবরণ করে।” (মুসলিম ৫০৩৯নং)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

(( مَنْ طَلَبَ الشَّهَادَةَ صَادِقاً أُعْطِيَهَا وَلَوْ لَمْ تُصِبْهُ))

“যে ব্যক্তি সত্য সত্যই (আন্তরিকভাবে) শাহাদাত চায়, তাকে তা দেওয়া হয়; যদিও (প্রত্যক্ষভাবে) শাহাদাত নসীব না হয়।” (মুসলিম ৫০৩৮নং)
জ্ঞাতব্য যে, শহীদের মর্যাদা পেতে হলে সঠিকার্থে মুসলিম হতে হবে। নচেৎ আকীদায় কাফের-মুশরিক হলে অথবা যথাযথ আমল না থাকলে (মতান্তরে বেনামাযী হলে) শহীদের মর্যাদা পাওয়া যাবে না। পার্থিব পরিভাষায় তাকে শহীদের মর্যাদা মানুষে দিলেও আল্লাহর কাছে সে শহীদ গণ্য হবে না।

পরন্তু যে যে কারণে শহীদ হওয়া যায় বা শহীদের মর্যাদা পাওয়া যায়, সে সে কারণে মৃত্যু হলেও কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তিবিশেষকে ‘শহীদ’ বলা যাবে না। কারণ, তার নিয়ত ও আমল-আকীদা কী ছিল, তা তো আল্লাহই ভালো জানেন। (বুখারী ২৮৯৮, মুসলিম ৩২৩নং)

অনুরূপভাবে যারা জিহাদের ময়দানের প্রকৃত শহীদ নন, বরং মর্যাদায় শহীদ, তাঁদের মৃত্যুর সময় দুনিয়াতে প্রকৃত শহীদের কোন কর্তব্য পালন করা হবে না। সুতরাং মর্যাদায় শহীদদের জন্য গোসল ও জানাযা অবশ্যই আছে।

পক্ষান্তরে জিহাদের ময়দানে হত শহীদের গোসল নেই; যদিও বা সে অপবিত্র অবস্থায় প্রাণ হারায়। তাঁকে তাঁর পোশাক ও খুন সহ দাফন করা হয়। নবী ﷺ উহুদের দিন এই নির্দেশই দিয়েছিলেন। (আহমাদ ২৩৬৫৭, ২৩৬৫৯, বুখারী ১৩৪৬, তিরমিযী ৯৫৭ক, নাসাঈ ২০০২, প্রমুখ )

আর তাঁর জানাযার সালাত পড়াও আবশ্যক নয়। যেহেতু মহানবী ﷺ উহুদ প্রভৃতি যুদ্ধের শহীদদের জানাযা পড়েননি বলেও বর্ণনা পাওয়া যায়। (দ্রঃ আহকামুল জানায়েয, আলবানী)

(দ্রঃ জানাযা দর্পণ)

রচনায় : আব্দুল হামীদ আল-ফাইযী আল-মাদানী

সূত্র

মতামত দিন