জীবনী নারী

মায়মূনা বিনতুল হারিস (রা) এর জীবনী

উম্মুল মুমিনীন হযরত হাফসার (রা) পরে রাসূলুল্লাহ (সা) হযরত মায়মূনা বিনতুল হারিস আল-হিলালিয়্যাকে (রা) বিয়ে করেন। ইনিই সেই মহিলা যাকে রাসূল (সা) সর্বশেষ বিয়ে করেন- একথা বলেছেন ইবন সা’দ। তাঁর পিতা হারিস ইবন হায়ন এবং মাতা হিন্দা বিত আওফ।[1]

হযরত মায়মূনা (রা) কুরাইশ গোত্রের মেয়ে। আরবের অনেক বড় নামী-দামী বংশ ও ঘরের সাথে ছিল তাঁর আত্মীয়তার সম্পর্ক। তাঁর এক বোন উম্মুল ফাদল লুবাবা আল-কুবরা ছিলেন হযরত আব্বাসের (রা) স্ত্রী। যাঁর ছয় ছেলে- ফাদল, আবদুল্লাহ, উবাইদুল্লাহ, মা’বাদ, কুসাম ও আবদুর রহমান ছিলেন ইসলামের প্রসিদ্ধ সন্তান। তাঁর দ্বিতীয় বোন লুবাবা সুগরা ছিলেন হযরত খালিদ ইবন ওয়ালীদের (রা) মা। তৃতীয় বোন বারযাহ্ ছিলেন ইয়াযীদ ইবনুল আসাম-এর মা। ৪র্থ বোন উম্মু হাফীদের নাম হুযায়লা। ইমাম মালিক (রহ) ‘আল মুওয়াত্তা’ গ্রন্থে বিস্তারিত এবং বুখারী ও মুসলিম একটু সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা করেছেন যে, একবার রাসূলুল্লাহ (সা) হযরত মায়মূনার (রা) বাড়ী যান। সেখানে হযরত আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রা) ও হযরত খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের সামনে গুইসাপের গোশত উপস্থাপন করা হয়। মায়মূনা (রা) বলেন, এ গোশত আমার বোন হুযায়লা বিনত হারিস পাঠিয়েছেন। রাসূলুল্লাহ (সা) গুঁইসাপের গোশত খেলেন না; কিন্তু তাঁর অনুমতিতে অন্যরা খেলেন। ইমাম তাহাবী সংকলিত একটি বর্ণনায় জানা যায় যে, রাসূলুল্লাহ (সা) না খাওয়ার কারণে হযরত মায়মূনাও (রা) খেলেন না।

উপরে উল্লেখিত বোনেরা সবাই ছিলেন বৈমাত্রেয়। ‘মাওয়াহিবে লাদুন্নিয়া’ গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে, হযরত জা’ফর ইবন আবী তালিব (রা)-এর স্ত্রী হযরত আসমা বিনত উমাইস (রা) ছিলেন তাঁর বৈপিত্রেয় বোন। হযরত জাফরের (রা) ঔরসে ‘আবদুল্লাহ, মুহাম্মাদ ও আওন নামের তিন ছেলে ছিল। হযরত জাফর (রা) মূতার যুদ্ধে শাহাদাত বরণ করার পর হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রা) তাঁকে বিয়ে করেন এবং তাঁর ঔরসে মুহাম্মাদ ইবন আবী বকর জন্মগ্রহণ করেন। হযরত আবু বকরের (রা) ইনতিকালের পর হযরত আসমাকে (রা) বিয়ে করেন হযরত আলী (রা) এবং তার ঔরসে জন্মগ্রহণ করেন ইয়াহইয়া ও আওন নামের দুই ছেলে। হযরত মায়মূনার (রা) বৈপিত্রেয় আর এক বোন সালমা বিনত উমাইস (রা) ছিলেন হযরত হামযার (রা) স্ত্রী। তার বৈপিত্রেয় আর এক বোন সালামা বিত উমাইস। তিনি অমুসলমান থেকে যান।[2]

বিয়েঃ

হযরত মায়মূনার (রা) প্রথম বিয়ে হয় মাসউদ ইবন ‘আমর ইবন উমাইর আস-সাকাফীর সঙ্গে। এ বর্ণনা পাওয়া যায় তাবাকাত, যুরকানী ও অন্যান্য গ্রন্থে। তবে ‘আল-ইসাবা’ গ্রন্থকার ইবন হাজার তার প্রথম স্বামী কে ছিলেন, সে ব্যাপারে কোন আলোচনা করেননি। শুধু এতটুকু বলেছেন যে, রাসূলুল্লাহর (সা) পূর্বে তিনি আবু রুহম ইবন আবদুল উযযার স্ত্রী ছিলেন। যা হোক, বিভিন্ন বর্ণনায় জানা যায়, মাসউদ ইবন ‘আমরের সাথে ছাড়াছাড়ি হয়ে যাওয়ার পর আবু রুহমের সাথে বিয়ে হয়। হিজরী ৭ম সনে আবু রুহমের মৃত্যু হলে রাসূলুল্লাহর (সা) বেগমের মর্যাদা লাভ করেন। তিনি ছিলেন রাসূলুল্লাহর (সা) সর্বশেষ বেগম। তাঁর পর আর কোন মহিলাকে রাসূলুল্লাহ (সা) বেগমের মর্যাদা দান করেননি।[3]

রাসূলুল্লাহর (সা) সাথে হযরত মায়মূনার (রা) বিয়ে সম্পন্ন হয় হযরত ‘আব্বাস ইবন আবদুল মুত্তালিবের (রা) অভিভাবকত্বে। রাসূলুল্লাহ (সা) হিজরী ৭ম সনে ‘উমরাতুল কাজা’ আদায়ের উদ্দেশ্যে যখন মক্কার দিকে বেরিয়ে পড়েন তখন হযরত জাফর ইবন আবী তালিবকে (রা) বিয়ের পয়গামসহ মক্কায় অবস্থানরত হযরত মায়মূনার (রা) নিকট পাঠান। তিনি ভগ্নিপতি হযরত আব্বাস ইবন আবদুল মুত্তালিবকে (রা) উকিল নিয়োগ করেন। অনেকের ধারণা হযরত আব্বাস নিজেই রাসূলুল্লাহকে (সা) এ বিয়েতে আগ্রহী করেন।[4]

ইবন হিশামের বর্ণনা মতে, মায়মূনা (রা) বিয়ের বিষয়টি বোন উম্মুল ফাদলের উপর ছেড়ে দেন। আর তিনি সে দায়িত্ব ছেড়ে দেন স্বামী আব্বাসের (রা) হাতে।[5]

যাই হোক, এই ‘উমরার ইহরামের অবস্থায় হিজরী ৭ম সনের জিলকা’দা মাসে পাঁচ শত মতান্তরে চারশত দিরহাম[6] দেন-মোহরের বিনিময়ে হযরত রাসূলে কারীম (সা) হযরত মায়মূনাকে (রা) বিয়ে করেন।[7] ‘উমরা আদায়ের পর মদীনা ফেরার পথে মক্কা হতে ছয় থেকে বারো মাইল দূরে ‘সারাফ’ নামক স্থানে যাত্রাবিরতি করেন। এদিকে রাসূলুল্লাহর (সা) খাদেম হযরত আবু রাফে’ হযরত মায়মূনাকে (রা) নিয়ে সেখানে উপস্থিত হন। এই সারাফে রাসূলুল্লাহর (সা) জন্য নির্মিত তাবুতে হযরত মায়মূনা (রা) রাসূলুল্লাহর (সা) সাথে মিলিত হন।[8]

ইবন ‘আব্বাসের (রা) একটি বর্ণনায় জানা যায়, রাসূলুল্লাহর (সা) সাথে মায়মূনার (রা) বিয়ে হয় ‘উমরা আদায়কালীন সময়ে মক্কাতে। ‘উমরা উপলক্ষে তিনদিন সেখানে অবস্থান করেন। তৃতীয় দিনে হুয়ায়তিব ইবন আবদুল উযযা আরও কয়েকজন কুরাইশ ব্যক্তিকে সঙ্গে করে রাসূলুল্লাহর (সা) সাথে দেখা করে বলে ও ‘হুদায়বিয়ার চুক্তি অনুযায়ী আপনার অবস্থানের মেয়াদ আজ শেষ হয়ে যাচ্ছে। আপনি মক্কা ছেড়ে চলে যান’। রাসূলুল্লাহ (সা) বললেনঃ “আমাকে আরও একটু সময় দিলে তোমাদের এমন কি হতো। আমি তোমাদের মধ্যে মায়মূনার সাথে মিলিত হতাম এবং তোমাদের জন্য ওলীমার খাবার তৈরী করতাম। তারা বললোঃ আপনার এ খাবারের আমাদের প্রয়োজন নেই। আপনি মক্কা ছাড়ুন।[9] এ কারণে রাসূলুল্লাহ (সা) তড়িঘড়ি করে মক্কা থেকে বেরিয়ে ‘সারাফে’ এসে অবস্থান করতে থাকেন এবং সেখানে মায়মূনার (রা) সাথে বাসর করেন।

হযরত রাসূলে কারীম (সা) ‘উমরাতুল কাজা’র সময়কালে হযরত মায়মূনাকে (রা) বিয়ে করেন। এ ব্যাপারে সকল সীরাত বিশেষজ্ঞ একমত। তবে ফকীহদের মধ্যে এ ব্যাপারে ভীষণ মতপার্তক্য রয়েছে যে, বিয়ের সময় রাসূলুল্লাহ (সা) ইহরাম অবস্থায় ছিলেন না হালাল অবস্থায়।[10]

ইবন হাজার (রহ) এই মতপার্থক্যের সমন্বয় করতে গিয়ে বলেছেন, ইহরাম অবস্থায় বিয়ে সম্পন্ন হয়, আর মিলন হয় ‘উমরা আদায়ের পর হালাল অবস্থায়।[11]

হযরত ‘আয়িশা (রা) হযরত মায়মূনার (রা) চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে গিয়ে মন্তব্য করেছেন-

إنها كانت من اتقانالله و أوصلنا للرحم ۔

-আমাদের মধ্যে মায়মূনা সবচেয়ে বেশী আল্লাহকে ভয় করতেন এবং সবচেয়ে বেশী আত্মীয়তার সম্পর্ক অটুট রাখতেন।[12]

তিনি খুব পরিচ্ছন্ন বিশ্বাস ও শুদ্ধ ধ্যান-ধারণার মহিলা ছিলেন। বিভিন্ন ঘটনার মাধ্যমে তাঁর স্বচ্ছ চিন্তা-বিশ্বাসের পরিচয় স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। যেমন, একবার এক মহিলা অসুস্থ অবস্থায় মান্নত মানেন যে, আল্লাহ তাকে সুস্থ করলে বায়তুল মাকদাসে গিয়ে নামায আদায় করবেন। আল্লাহর ইচ্ছায় তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন। এখন তিনি মান্নত পূর্ণ করতে বায়তুল মাকদাসে যাবেন। এ উদ্দেশ্যে তিনি হযরত মায়মূনার (রা) নিকট বিদায় নিতে আসেন। হযরত মায়মূনা (রা) তাকে বুঝালেন যে, মসজিদে নববীতে নামায আদায়ে সাওয়াব অন্য মসজিদের চেয়ে হাজার গুণ বেশী। সুতরাং তুমি সেখানে না গিয়ে এখানে থাক।[13]

তিনি মাঝে মধ্যে ধার-করজ করতেন। একবার একটু বেশী ধার করে ফেললেন। তাই কেউ একজন বললেন, এত ধার শোধের উপায় কি হবে? তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন, যে বক্তি শোধ করার ইচ্ছা রাখে, আল্লাহ নিজেই তা শোধ করে দেন।[14]

হযরত মায়মূনার (রা) মধ্যে ছিল দাস মুক্ত করার প্রবল আগ্রহ। একবার একটি দাসীকে মুক্তি দিলে রাসূলুল্লাহ (সা) বলেন, এতে তুমি অনেক সাওয়াব অর্জন করেছে।[15]

শরীয়াতের আদেশ-নিষেধের ব্যাপারে ভীষণ কঠোর ছিলেন। এ ব্যাপারে কোন রকম নমনীয়তা তার মধ্যে ছিল না। একবার তার এক নিকট-আত্মীয় দেখা করতে আসে। তার মুখ দিয়ে তখন মদের গন্ধ বের হচ্ছিল। তিনি লোকটিকে শক্ত ধমক দেন। তাকে আর কখনও তার কাছে না আসার জন্য শক্তভাবে বলে দেন।[16]

হযরত মায়মূনার (রা) একজন দাসী একবার হযরত ইবন আব্বাসের (রা) বাড়ীতে যেয়ে দেখেন, তাদের স্বামী-স্ত্রীর বিছানা বেশ দূরে দূরে। দাসী মনে করলেন সম্ভবতঃ মিয়া-বিবির মধ্যে কিছুটা তিক্ততার সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু জিজ্ঞেস করে জানতে পারেন, না, তা নয়; বরং স্ত্রীর মাসিকের সময় ইবন আব্বাস (রা) পৃথক বিছানায় চলে যান। দাসী ফিরে এসে সব কথা উম্মুল মুমিনীন মায়মূনাকে (রা) জানিয়ে দিলেন। তিনি দাসীকে বললেন, যাও, তাকে বল, রাসূলুল্লাহর (সা) রীতি-পদ্ধতির প্রতি এত উপেক্ষা কেন? তিনি তো সব সময় আমাদের বিছানায় আরাম করতেন।[17]

একবার হযরত ইবন আব্বাস (রা) খালা হযরত মায়মূনার (রা) সাথে দেখা করতে। আসেন। তার মাথার চুল ও দাড়ি অবিন্যস্ত দেখে খালা প্রশ্ন করেন, বেটা, তোমার এ অবস্থা কেন? ইবন আব্বাস বললেন, উম্মু আম্মারের বর্তমানে মাসিক অবস্থা চলছে। সেই আমার কেশ পরিপাটি করে থাকে। হযরত মায়মূনা বললেন, বাহ্, খুব ভালো! রাসূলুল্লাহ (সা) আমাদের কোলে মাথা রেখে শুয়ে থাকতেন, কুরআন তিলাওয়াত করতেন, যখন আমরা সেই বিশেষ অবস্থায় থাকতাম। সে অবস্থায় মাদুর উঠিয়ে আমরা মসজিদে রেখে আসতাম। বেটা! হাতে কি কিছু থাকে?[18]

হযরত মায়মূনা (রা) থেকে বর্ণিত হাদীসের সংখ্যা ৪৬টি, মতান্তরে ৭৬টি। তার মধ্যে সাতটি মুত্তাফাক আলাইহি। একটি বুখারী ও পাঁচটি মুসলিম স্বতন্ত্রভাবে বর্ণনা করেছেন। অন্যগুলি হাদীসের বিভিন্ন গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে। তাঁর থেকে বর্ণিত কিছু হাদীসের মাধ্যমে শরীয়াতের গুঢ়তত্ত্ব সম্পর্কে তাঁর গভীর জ্ঞানের পরিচয় পাওয়া যায়।

হযরত মায়মূনার (রা) নিকট থেকে যারা হাদীস শুনেছেন এবং বর্ণনা করেছেন, তাঁদের মধ্যে সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলেন। হযরত ইবন আব্বাস (রা), আবদুল্লাহ ইবন শাদ্দাদ ইবনুল হাদ, আবদুর রহমান ইবনুস সায়িব, ইয়াযীদ ইবন আসাম, (তারা সবাই তার বোনের ছেলে) ‘উবায়দুল্লাহ আল-খাওলানী, নাদবা (দাসী), আতা ইবন ইয়াসার, সুলায়মান ইবন ইয়াসার, ইবরাহীম ইবন আবদুল্লাহ ইবন মা’বাদ ইবন আব্বাস, কুরাইব, উবায়দা ইবন সিবাক, উবায়দুল্লাহ ইবন আবদুল্লাহ ইবন উতবা, আলীয়া বিনত সুবায় প্রমুখ।[19]

হযরত মায়মূনার (রা) মৃত্যুসন নিয়ে যথেষ্ট মতপার্থক্য আছে। বিভিন্ন বর্ণনায় হিজরী ৫১, ৬১, ৬৩ ও ৬৬ সনের কথা এসেছে। তবে ইবন হাজারসহ অধিকাংশ সীরাত বিশেষজ্ঞ হিজরী ৫১ সনের মতটি সঠিক বলে মত প্রকাশ করেছেন।[20] তাঁর জীবনের এটাও এক উল্লেখযোগ্য ঘটনা যে, একদিন যে ‘সারাফ’ নামক স্থানে রাসূলুল্লাহর (সা) স্ত্রীর মর্যাদা লাভ করে প্রথম মিলিত হন, তার প্রায় ৪৪ বছর পর সেখানেই ইনতিকাল করেন। যে স্থানটিতে রাসূলুল্লাহর (সা) সাথে বাসর করেন, ঠিক সেখানেই সমাহিত হন।[21]

এ কথাও বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি হজ্জ আদায়ের জন্য মক্কায় যান। হজ্জ শেষে সেখানেই ইনতিকাল করেন। হযরত ইবন আব্বাসের (রা) নির্দেশে মরদেহ কাঁধে করে ‘সারাফে’ আনা হয় এবং সেখানে দাফন করা হয়।[22]

হযরত ইবন ‘আব্বাস (রা) জানাযার নামায পড়ান। ইবন আব্বাস (রা), আবদুর রহমান ইবন খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ, আবদুল্লাহ ইবন শাদ্দাদ ইবনুল হাদ, আবদুল্লাহ ইবনুল খাওলানী ও ইয়াযীদ ইবনুল আসাম্ম লাশ কবরে নামান। যখন লাশটি খাটিয়ায় করে উঠানো হয় তখন হযরত ইবন আব্বাস (রা) লোকদের বলেন, সাবধান! রাসূলুল্লাহর (সা) বেগম। বেশী ঝাঁকি দিবে না। আদবের সাথে নিয়ে চলো। কারণ, তিনি তোমাদের মা’।[23]

তথ্যসূত্র : 

[1] তাবাকাত-৮/১৩৪; আনসাবুল আশরাফ-১/৪৪৪

[2] ২. বিস্তারিত জানার জন্য দেখুনঃ আনসাবুল আশরাফ-১/৪৪৫ ৪৪৬; আল-ইসতীয়াব-৪/৪০৭।

[3] তাবাকাত-৮/১৩৫

[4] উসুদুল গাবা-৫/৫৫০; তাবাকাত-৮/১৩২, ১৩৩

[5] সীরাতু ইবন হিশাম-২/৩৭২

[6] প্রাগুক্ত-২/৬৪৬

[7] সিয়ারু আ’লাম আন-নুবালা-২/২৩৯

[8] সীরাতু ইবন হিশাম-২/৩৭২

[9] হায়াতুস সাহাবা-২/৬৬৫

[10] দেখুনঃ তাবাকাত-৮/১৩৩-১৩৬; মুসলিম (১৪১১), আন-নিকাহ’ অধ্যায়; ইবন মাজাহ্-(১৯৬৪); আহমাদ-৬/৩৯৩; আল-মুসতাদরিক-৪/৩১;

[11] আসাহ আস-সিয়ার-৬৪৯

[12] তাবাকাত-৮/১৩৮; সিয়ারু আ’লাম আন-নুবালা-২/২৪৪

[13] তাবাকাত-৮/১৩৯

[14] প্রাগুক্ত-৮/১৪০

[15] মুসনাদ-৬/৩৩২

[16] তাবাকাত-৮/১৩৯; সিয়ারু আ’লাম আন-নুবালা-২/২৪৪

[17] কানুযুল উম্মাল-৫/১৩৮; হায়াতুস সাহাবা-২/৬৯৭; আল-ইসাবা-৪/৪১২

[18] মুসনাদ-৬/৩৩১ ১৯. সিয়ারু আ’লাম আন-নুবালা-২/২৩৯

[19] সিয়ারু আ’লাম আন-নুবালা-২/২৩৯

[20] প্রাগুক্ত-২/২৪৫; আল-ইসাবা-৪/৪১৩

[21] মুসনাদ-৬/৩৩৩; বুখারী-২/৬১১

[22] তাবাকাত-৮/১৪০; সিয়ারু আ’লাম আন-নুবালা-২/২৪৫

[23] তাবাকাত-৮/১৪০; আনসাবুল আশরাফ-১/৪৪৭।

সংকলনে : ড. মুহাম্মদ আবদুল মাবুদ। [মাসিক পৃথিবী পুরনো সংখ্যা থেকে কপিকৃত]

মতামত দিন