সীরাত

শামায়েলে মুহাম্মাদী (সা) (পর্ব ৩)

শামায়েলে মুহাম্মাদী (পর্ব-৩)

রচনায় :- হারুন আযিযী নদভী

মাসরূবা-এর বর্ণনাঃ

বক্ষদেশ থেকে নাভি পর্যন্ত কেশের সরু রেখাকে আরবী ভাষায় ‘মাসরূবা’ বলা হয় ।

আলী (রাঃ) বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) লম্বা মাসরূবা বিশিষ্ট ছিলেন’। অর্থাৎ তাঁর বক্ষদেশ থেকে নাভি পর্যন্ত কেশের একটি সুন্দর রেখা বিস্তৃত ছিল’।৬৮

পায়ের গোছার বর্ণনাঃ

আবূ জুহাইফা (রাঃ) বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তাঁবু থেকে বের হলেন । মনে হচ্ছে যেন আমি এখনো তাঁর পাচ্ছি’ ।৬৯

পা দ্বয়ের বর্ণনাঃ

১. আনাস (রাঃ) বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর পাযুগল ছিল মাংসল ও বড় আকৃতির’।৭০

২. আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, ‘নবী করীম (ছাঃ)-এর পা দু’টি গোশতে পুরু ছিল’।৭১

৩. হযরত জাবের (রাঃ) বলেন, ‘নবী করীম (ছাঃ)-এর উভয় হাত-পা গোশতে পুরু ছিল’ ।৭২

৪. আলী (রাঃ) বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) আমাদের কাছে আসলেন তখন আমরা নিজেদের বিছানায় শুয়েছিলাম । আমি তাঁকে দেখে উঠতে যাচ্ছিলাম । কিন্তু তিনি বললেন, তোমরা উভয়ে নিজ নিজ স্থানে থাক । তিনি আমাদের দু’জনের মাঝে এমনভাবে বসে পড়লেন যে, আমি আমার বক্ষস্থলে তাঁর পদতলদ্বয়ের শীতলতা অনুভব করলাম’।৭৩

 

পায়ের গোড়ালীর বর্ণনাঃ

জাবের ইবনে সামুরা (রাঃ) বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর গোড়ালী ছিল অল্প মাংসল’ ।৭৪

শরীরের রঙঃ

১. আনাস (রাঃ) বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর শরীরের রঙ ছিল গোলাপী । না ধবধবে সাদা ছিল, না একেবারে কড়া বাদামী’ ।৭৫

২. আবুত তুফায়েল (রাঃ) বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ছিলেন সাদা বর্ণের’।৭৬

ঘামের বর্ণনাঃ

১. উম্মে সুলাইম (রাঃ) বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) থেকে ঘাম নির্গত হত অনেক’।৭৭

২. আলী (রাঃ) বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর ঘামের ফোঁটা তাঁর চেহারায় মুক্তার দানার মত দেখাত’ ।৭৮

৩. আনাস (রাঃ) বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর ঘামের চেয়ে অধিক সুগন্ধময় কোন ঘাম আমি কোন দিন শুকিনি’ ।৭৯

৪. আনাস (রাঃ) বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) আমাদের ঘরে আসলেন এবং ক্বায়লুলা করলেন অর্থাৎ ঘুমিয়ে পড়লেন । অতঃপর তাঁর শরীর থেকে ঘাম নির্গত হতে লাগল । আমার মা একটি শিশিতে নির্গত ঘাম জমা করতে লাগলেন । রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) হঠাৎ জেগে উঠে জিজ্ঞেস করলেন, ‘হে উম্মে সুলাইম ! তুমি এটি কি করছ ? তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল ! এ হল আপনার ঘাম । এগুলিকে আমি আমাদের সুগন্ধির সাথে মিশাব । আর আপনার ঘাম হল সবার সেরা সুগন্ধি’ ।৮০

৫. আয়েশা (রাঃ) বলেন, ‘আমি প্রচন্ড শীতের দিনেও রাসূলুল্লাহর উপর ‘অহি’ নাযিল হওয়ার পর তাঁর কপাল থেকে ঘাম ঝরে পড়তে দেখেছি’ ।৮১

৬. আনাস (রাঃ) বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর ঘাম মুক্তার দানার মত মনে হত ।৮২

৭. জাবের (রাঃ) বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) যখন রাস্তায় বের হতেন তখন কেউ পিছনে বের হলে সে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর ঘামের সুগন্ধির কারণে বুঝতে পারত যে, তিনি বের হয়েছেন’ ।৮৩

শরীরের সুগন্ধিঃ

১. আনাস (রাঃ) বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) কখনো সুগন্ধি ফিরিয়ে দিতেন না’ ।৮৪

২. আয়েশা (রাঃ) বলেন, ‘সুগন্ধি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর কাছে খুবই পছন্দনীয় ছিল’ ।৮৫

৩. আনাস (রাঃ) বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) যে ঘর থেকে বের হলেন তা আমরা বুঝতাম তাঁর সুগন্ধির কারণে’ ।৮৬

৪. ইবরাহীম নাখঈ (রহঃ) বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) কোথাও আগমন করলে তা তাঁর খুশবো দ্বারা বুঝা যেত’ ।৮৭

খতমে নুবুওয়াত বা নবুয়তের মোহরঃ

১. সায়িব ইবনে ইয়াযীদ (রাঃ) বলেন, আমার খালা আমাকে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর নিকট নিয়ে গেলেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (ছাঃ) ! আমার বোনের ছেলেটি রোগাক্রান্ত (তার জন্য দো’আ করুন) । তখন তিনি আমার মাথায় হাত বুলালেন এবং আমার জন্য বরকতের দো’আ করলেন । তারপর তিনি ওযূ করলেন । আমি তাঁর ওযূর অবশিষ্ট পানি পান করলাম । অতঃপর আমি তাঁর পশ্চাতে গিয়ে দাঁড়ালাম এবং তাঁর দু’কাঁধের মাঝখানে দেখলাম ‘মোহরে নুবুওয়াত’ তাবুর )প্রবেশ দ্বারের) পর্দার বোতামের ন্যায় চকচক করছে’।৮৮

২. জাবের ইবনে সামুরা (রাঃ) বলেন, ‘আমি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর দু’কাঁধের মাঝখানে ‘মোহরে নুবুওয়াত’ দেখেছি । তা ছিল কবুতরের ডিমের মত লাল বর্ণের একটি মাংসপিন্ড’ ।৮৯

৩. আবূ যায়েদ (রাঃ) বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) আমাকে বললেন, ‘হে আবূ যায়েদ ! আমার নিকটে এসো এবং আমার পিঠে হাত বুলাও’ । তখন আমি তাঁর পিঠে হাত বুলালাম । আমার আঙ্গুলগুলি ‘খত’টির উপর পড়ল ।

রাবী জিজ্ঞেস করলেন, ‘খতম’ আবার কি ? তিনি (আবূ যায়েদ) বললেন, একস্থানে একত্রিত কয়েকটি চুল’ ।৯০

৪. আবূ নাদরা আউফী বলেন, আমি আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর ‘মোহরে নুবুওয়াত’ সম্পর্কে, তিনি বলেন, তা ছিল তাঁর পিঠে একটি উদগত গোশতের খন্ড বিশেষ’ ।৯১

৫. আব্দুল্লাহ ইবনু সারজিস (রাঃ) বলেন, ‘আমি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর কাছে আসলাম তখন তিনি ছাহাবীদের সাথে বসেছিলেন । আমি ঘুরে পিছনে গিয়ে বসলাম । আমার মনোবাঞ্ছা বুঝতে পেরে তিনি পিঠ থেকে চাদরটি সরিয়ে দিলেন । তখন আমি তাঁর দুই কাঁধের উপরে ‘খতম’ এর স্থানটি দেখতে পাই । যার আকৃতি মুষ্টিবদ্ধ আঙ্গুলগুলির মত মনে হল’ ।৯২

৬. বুরায়দা (রাঃ) বলেন, ‘সালমান ফারেসী (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর ‘মোহরে নুবুওয়াত’ দেখে ইসলাম গ্রহন করেছিলেন’।৯৩

৭. উম্মে খালেদ (রাঃ) বলেন, ‘আমি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর ‘মোহরে নুবুওয়াত’ ধরে খেলা করছিলাম । আমার পিতা আমাকে ধমক দিলেন । তখন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘তাঁকে ছেড়ে দাও’ ।৯৪

চুলের বর্ণনাঃ

. আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর মাথার চুল ছিল খুবই কালো’ ।৯৫

২. আনাস (রাঃ) বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর মাথার চুল অত্যধিক কুঞ্চিতও ছিলনা এবং একেবারে সোজাও ছিল না’ ।৯৬

৩. আবূ হুরাইরা (রাঃ) বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর চুল ছিল স্বল্প কুঞ্চিত’।৯৭

৪. আনাস(রাঃ) বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর মাথার চুল তাঁর দুই কানের মধ্য পর্যন্ত লম্বা ছিল’ ।৯৮

৫. বারা ইবনে আযেব (রাঃ) বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর চুল দুই কানের লতি পর্যন্ত পৌঁছাত’ ।৯৯

৬. আনাস (রাঃ) বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর মাথার চুল উভয় কানের লতি পর্যন্ত লম্বা ছিল’ ।১০০

৭. আয়েশা (রাঃ) বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর চুল ছিল ‘ওয়াফরাহ’র চেয়ে বেশী এবং ‘জিম্মা’র চেয়ে কম’ ।১০১

৮. বারা ইবনে আযেব (রাঃ) বলেন, ‘লাল চাদর ও লাল লুঙ্গি পরিহিত ‘লিম্মাহ তথা ঘাড় পর্যন্ত প্রলম্বিত চুল ওয়ালা কোন ব্যক্তিকেই আমি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) অপেক্ষা অধিক সুন্দর দেখিনি’ ।১০২

উল্লেখ্য যে, উপরোক্ত হাদীছদ্বয়ে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর মাথার চুল সম্পর্কে তিনটি শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে । এর দ্বারা বুঝা যায় যে, তাঁর চুল রাখার ধরণ তিন প্রকার ছিল । ‘যিম্মাহ’, ‘লিম্মাহ’ ও ‘ওয়াফরাহ’ । মাথার চুল লম্বা হয়ে কাঁধ পর্যন্ত পৌঁছালে তাকে ‘যিম্মাহ’ বলা হয়, ঘাড়ের মধ্যভাগ পর্যন্ত পৌঁছালে তাঁকে ‘লিম্মাহ’ বলা হয় । আর যদি কর্ণমূল বা কর্ণদ্বয়ের মধ্যভাগ পর্যন্ত পৌঁছে তাঁকে বলা হয় ‘ওয়াফরাহ’ । এই তিন ধরণ ব্যতীত তিনি অন্য কোন রকম চুল রেখেছেন বলে কোন বর্ণনা পাওয়া যায় না ।

৯. ক্বাতাদাহ (রাঃ) বলেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর চুল কেমন ছিল ? তিনি উত্তরে বললেন, ‘তাঁর চুল ছিল স্বল্প কুঞ্চিত । একবারে অধিক কোঁকড়ানোও নয় আবার সটান সোজাও নয় । উভয় কর্ণ এবং কাঁধের মধ্যখানে ছিল ।১০৩

১০. আনাস (রাঃ) বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর চুল তাঁর উভয় কাঁধ পর্যন্ত পৌঁছাত’।১০৪

১১. বারা ইবনে আযেব (রাঃ) বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর চুল তাঁর দু’কাঁধ পর্যন্ত পৌঁছাত’।১০৫

১২. উম্মে হানী (রাঃ) বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) একবার আমাদের কাছে মক্কায় আসলেন এমনভাবে যে, তখন তাঁর মাথার চুল চার গুচ্ছে বিভক্ত ছিল’ ।১০৬

 

দাড়ির বর্ণনাঃ

১. আলী (রাঃ) বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর দাড়ি ছিল বড়’।১০৭

২. জাবের ইবনে সামুরা (রা০ বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর দাড়ি ছিল প্রচুর’।১০৮

৩. ওছমান (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ওযূ করার সময় দাড়িকে খেলাল করতেন’ ।১০৯

৪. সাহাল ইবনু সা’দ (রাঃ) বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) মাথায় খুব তেল লাগাতেন এবং পানি দ্বারা দাড়ি আঁচড়াতেন’ ।১১০

উল্লেখ্য যে, তিরমিযী তে আমর ইবনুল আছ (রাঃ) থেকে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) স্বীয় দাড়ি দৈঘ্য-প্রস্থ থেকে ছাঁটতেন বলে যে বর্ণনা পাওয়া যায়, তা জাল ও অগ্রহনযোগ্য ।১১১

চুল ও দাড়ি আচড়ানোঃ

১. আয়েশা (রাঃ) বলেন, ‘আমি ঋতুবতী অবস্থায় রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর মাথা আঁচড়িয়ে দিতাম’।১১২

২. আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন, ‘যে সমস্ত ব্যাপারে কোন ‘অহি’ নাযিল হয়নি সেসব বিষয়ে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) আহলে কিতাবের সাথে সামঞ্জস্য স্থাপন করাকে পসন্দ করতেন । তৎকালে আহলে কিতাবরা তাদের মাথার চুলকে সোজা ছেড়ে রাখত, আর মুশরিকরা সিতা কেটে চুলগুলিকে দু’ভাগ করত । নবী করীম (ছাঃ) সিতা না কেটে এমনি পিছনের দিকে ঝুলিয়ে রাখতেন । অবশ্য পরে তিনি সিতা কেটেছেন’ ।১১৩

৩. আয়েশা (রাঃ) বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) যকহ্ন মাথা আঁচড়াতেন তখন ডান পার্শ্ব দিয়ে শুরু করাকে পসন্দ করতেন’ ।১১৪

৪. আয়েশা (রাঃ) বলেন, ‘আমি যখন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর মাথায় সিতা কাটতাম, তখন আমি তাঁর মাথার মধ্যস্থান থেকে সিতা কেটে সম্মুখের চুল উওভ্য চক্ষুর মাঝামাঝি স্থান বরাবর হতে ছেড়ে দিতাম’ ।১১৫

তথ্যসূত্র :-

৬৮. তিরমিযী হা/৩৬৪১; হাকেম ২/৬০৬; আহমাদ হা/৭৪৬ ।

৬৯. বুখারী হা/৩৫৬৬; মুসলিম হা/৫০৩ ।

৭০. ছহীহ বুখারী হা/৫৯০৭ ।

৭১. ছহীহ বুখারী, হা/৫৯০৯ ।

৭২. বুখারী হা/৫৯১২ ।

৭৩. ছহীহ বুখারী হা/৩৭০৫ ।

৭৪. মুসলিম হা/২৩৩৯; তিরমিযী হা/৩৬৪৭; আহমাদ ৫/৮৬ ।

৭৫. ছহীহ বুখারী হা/৩৫৪৭; মুসলিম হা/২৩৪৭; আহমাদ ৩/২৪০ ।

৭৬. মুসলিম হা/২৩৪০; আহমাদ ৫/৪৫৪ ।

৭৭. মুসলিম হা/২৩৩২; আহমাদ ৬/৩৭৬ পৃঃ, হা/২৭৬৫৮ ।

৭৮. ইবনেসা’দ১/৩১৬।

৭৯.বুখারী হা/৩৫৬১; মুসলিম হা/২৩৩০।

৮০.মুসলিম হা/২৩৩১।

৮১.ছহীহ বুখারী হা/২।

৮২.মুখতাছার মুসলিম হা/১৫৬৯।

৮৩.দারিমী ১/৩২।

৮৪.বুখারী হা/২৫৮২।

৮৫.আবূ দাঊদ ৪০৭৪; মুসনাদে আহমাদ৬/১৩২।

৮৬.ইবনে সা’দ ১/৩৯৯; সিলসিলা ছহীহা ৫/১৬৯।

৮৭.দারেমী ১/৩২; সিলসিলা ছহীহাহ/২১৩৭।

৮৮. ছহীহ বুখারী ৩/৪৩৮; মুসলিম হা/২৩৪৫ ।

৮৯. মুসলিম হা/২৩৪৪; তিরমিযী হা/৩৬৪৭; শামায়েল,১৫ ।

৯০. আহমাদ ৫/৭৭; ইবনে সা’দ ১/৪২৬; ইবনে হিব্বান ২০৯৬; মুস্তাদরাক ২/৬০৬; মুখতাছারু শামায়েল-শায়খ আলবানী পৃঃ ১৭ ।

৯১. মুখতাছারু শামায়েল তিরমিযী-১৯; মুসনাদে আহমাদ ৩/৬৯ পৃঃ ।

৯২. মুসলিম হা/২৩৪৬; আহমাদ ৫/৮২; ইবনে সা’দ ১/৪২৬; শামায়েল-২০ ।

৯৩. আহমাদ ৫/৩৫৪; মুস্তাদরাক ৩/৫৯৯; শামায়েলে তিরমিযী-১৮ পৃঃ ।

৯৪. বুখারী হা/৩০৭১ ।

৯৫. বায়হাক্বী, ছহীহুল জামে‘-ছাগীর, হা/৪৬৩৩ ।

৯৬. বুখারী হা/৩৫৪৭; মুসলিম হা/২৩৪৭ ।

৯৭. তিরমিযী, শামায়েল-১০; সিলসিলা ছহীহা হা/২০৫৩; ছহীহুল জামিউছ ছাগীর হা/৪৬১৯ ।

৯৮. আবূদাঊদ হা/৪১৮৬; মুসলিম হা/২৩৩৮; নাসাঈ হা/৫২৪৯ ।

৯৯. বুখারী হা/৩৫৫১; মুসলিম হা/২৩৩৭; আবূদাঊদ হা/৪১৮৪; নাসাঈ হা/৫২৪৭ ।

১০০. আবূদাঊদ হা/৪১৮৫; নাসাঈ হা/৫০৭৬ ।

১০১. আবূদাঊদ হা/৪১৮৭; তিরমিযী হা/১৭৫৫; ইবনু মাজাহ হা/৩৬৩৫ শামায়েল-২২; ইবনু সা’দ ১/৪২৪; আহমাদ ৬/১০৮ ।

১০২. মুসলিম হা/২৩৩৭; আবূদাঊদ হা/৪১৮৩; তিরমিযী হা/১৭২৪; নাসাঈ হা/৫২৪৮ ।

১০৩. বুখারী হা/৫৯০৫; মুসলিম হা/২৩৩৮ ।

১০৪. বুখারী হা/৫৯০৩; মুসলিম হা/২৩৩৮ ।

১০৫. বুখারী হা/৫৯০১; মুসলিম হা/২৩৩৭ ।

১০৬. আবূদাঊদ হা/৪১৯১; তিরমিযী হা/১৭৮১; ইবনু মাজাহ হা/৩৬৩১; শামায়েল-২৩ ।

১০৭. বায়হাক্বী ১/১৫৮; আহমাদ ১/৯৬; ইবনে হিব্বান ২১১৭; ছহীহুল জামে ৪৬২০ ।

১০৮. মুসলিম ২৩৪৪ ।

১০৯. ছহীহু সুনানিত তিরমিযী, ২৯ ।

১১০. মু’জামু ইবনিল আরবী, বায়হাক্বী ৫/২২৬; সিলসিলা ছহীহা হা/৭২০) ।

১১১. সিলসিলা যঈফাহ হা/২৮৮ ।

১১২. বুখারী হা/২৯৫; মুসলিম হা/২৯৭ ।

১১৩. বুখারী হা/৩৫৫৮;মুসলিম হা/২৩৩৬; আবূদাঊদ হা/৪১৮৮; ইবনু মজাহ হা/৩৬৩২ ।

১১৪. বুখারী হা/১৬৮; মুসলিম হা/২৬৮ ।

১১৫. আবূদাঊদ হা/৪১৮৯; ইবনু মাজাহ হা/৩৬৩৩ ।

 

আগের পর্বের লিংক

শামায়েলে মুহাম্মাদী পর্ব ১

শামায়েলে মুহাম্মাদী পর্ব ২

মতামত দিন