সিয়াম

চাঁদ দেখে রোজা ও ঈদের পক্ষে দলিল ও যুক্তি

চাঁদ দেখে রোজা ও ঈদের পক্ষে দলিল ও যুক্তি

“বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম”

মুসলিমরা চাঁদ দেখে ঈদ করবে নাকি ক্যাল্কুলেশন করে আগে থেকে নির্ধারিত সময়ে ঈদ করবে নাকি সৌদি আরবের সাথে মিলিয়ে ঈদ করবে এ নিয়ে বিভিন্ন প্রকার প্রশ্ন রয়েছে। একটু ধৈর্য ধরে শুনুন।
হাজার বছর ধরে মুসলিমরা এ পৃথিবীতে আছে। এতো বিশাল সময়ে চাঁদ দেখা নিয়ে তেমন কোন সমস্যা হয়নি। কেন হয়নি ? কারণ মুসলিমরা চাঁদের হিসাবে বার গনেছে। সূর্যের হিসাবে বার গননা করেনি। মনেকরুন আজকে শনিবার, আজ রাত আসার সাথে সাথেই মুসলিম মনষিগন একে রবিবার বলেছেন। কিন্তু সূর্যের হিসাবে আমরা রাত ১২টা থেকে বার গননা করে থাকি। সেজন্য চাঁদের বার এবং সূর্যের বার একই নয়। ধরুন, মরোক্কতে রাত আসার সাথে সাথে মাসের প্রথম চন্দ্র দেখা গেল। তারমানে সেই রাত থেকেই নতুন মাস গননা করা শুরু হয়ে গেছে, ঠিক তেমনি ভারতেও যদি চাঁদ দেখা যায় তাহলে সেখানেও প্রথম দিন গননা শুরু হয়ে গিয়েছে। ধরুন সেই নতুন মাসটি রমজান, তাহলে ভারতের রাত হল রমজান মাস, ঠিক তেমনি মরক্কোর মাস হল রমজান মাস, কিন্তু সূর্যের হিসাবে তারা একই দিন নয়। এমনকি এদের মধ্যে সূর্যের হিসাবে ০ দিন কিংবা ১ দিন কিংবা ২ দিনের মত পার্থক্যাও হতে পারে। কিন্তু চাঁদের হিসাবে কোন পার্থক্য নেই। ভাবুন সেই সময়ের খলিফা সবাইকে ১ রমজানে ১০টাকা করে বকশিশ দিবেন। তারমানে ভারতে যখন ১ রমজান আসবে তখন সেখান বকশিশ দেওয়া শুরু হবে। যখন মরোক্কোতে আসবে তখন সেখানেও দেওয়া শুরু হবে। এখানে আইনস্টাইনের স্বীকার্যের মত দুইটা কাঠামো। ১ম কাঠামো চাঁদ, ২য় কাঠামো সূর্য। প্রথম কাঠামোর দৃষ্টিতে যেটি ১ তারিখ, সেটি ২য় কাঠামোর দৃষ্টিতে একই তারিখ নাও হতে পারে। কোন সমস্যাই হবেনা, যদি আমরা একটি কাঠামো ফল করি।
চলুন আমরা দেখে নেই, আমরা কোন কাঠামো মানবোঃ


“তোমার নিকট তারা জিজ্ঞেস করে নতুন চাঁদের বিষয়ে। বলে দাও যে এটি মানুষের জন্য সময় নির্ধারণ এবং হজ্বের সময় ঠিক করার মাধ্যম”
[সূরা বাকারা আয়াত ১৮৯]
হে আল্লাহ! আপনি আমাদের জন্য এই চাঁদকে সৌভাগ্য ও ঈমান, শান্তি ও ইসলামের সঙ্গে উদিত করুন। আল্লাহই আমার ও তোমার রব।—জামে তিরমিজি, হাদিস : ৩৪৫১
তোমরা (রমজানের) চাঁদ দেখে রোজা শুরু করবে এবং (ঈদের) চাঁদ দেখেই রোজা ছাড়বে। যদি আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয় (এবং চাঁদ দেখা না যায়) তাহলে মাসের ৩০ দিন পূর্ণ করে। অর্থাত্ আকাশ পরিচ্ছন্ন না থাকার কারণে চাঁদ দেখা না গেলে শাবান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ করত রমজানের রোজা রাখা শুরু করবে।—সহিহ বুখারি ১/২৫৬, হাদিস : ১৯০৬
এই দুই হাদিস থেকে পরিষ্কার বুঝা যায় আমরা, চাঁদের কাঠামোই অনুষরণ করব। সূর্যের কাঠামোতে নয়, এমনকি সূর্যের কাঠামোতে এটা কোন তারিখ সেটাও বিবেচ্য বিষয় নয়। আমরা হিসাব করব এভাবে, প্রথম চাঁদ এক তারিখ, ১৪,১৫,১৬ তারিখে পূর্নিমা, আবার শেষের দিকে আমাবশ্যা আসবে। এর কোন ব্যাতিক্রম হবেনা।
আশা করি চাঁদ দেখে ঈদ করতে হবে এব্যাপারে সবাই একমত। কারণ উপরের বুখারি শরিফের হাদিস থেকে বুঝা যায়, আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলে ৩০ দিন পূর্ন করতে হবে। এখানে হিসাব নিকাশের বালাই রাখা হয়নি। মানে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হওয়াটাও আল্লাহ পাকের ইচ্ছার অধীন। এখানের মধ্যেও আমাদের ফয়সালা নিহিত আছে। তাই চাঁদ দেখাটা অত্যান্ত জরুরি।
এখন প্রশ্ন হল কতজন মানুষকে চাঁদ দেখতে হবে। তার উত্তর আছে এই হাদিসেঃ
আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলে এমন এক ব্যক্তির চাঁদ দেখাই যথেষ্ট, যার দ্বীনদার হওয়া প্রমাণিত অথবা বাহ্যিকভাবে দ্বীনদার হিসেবে পরিচিত।—সুনানে আবু দাউদ, হাদিস : ২৩৪০
-শর্ত নোট করুন, আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলেই কেবল একজনের সাক্ষ্য গ্রহন যোগ্য।
এখন প্রশ্ন হল সারা পৃথিবীতে দেখতে হবে নাকি এলাকা ভিত্তিক দেখতে হবে? এই প্রশ্ন করার আগে আমার লেখার উপরের অংশ আবার পড়ুন যেখানে বলা আছে আমরা চাঁদের কাঠামো অনুষরন করছি, সূর্যের নয়। চাঁদ উঠলেই চাঁদের দিন গননা শুরু হবে, না উঠলে আগের গননায় থাকবেন। যেখানে নতুন মাস আসেনি সেখানে নতুন মাস কিভাবে নিয়ে আসবেন? কথাটাকে একটু সূর্যের ফ্লেট ফ্রমে ঘুরিয়ে বলি, সূর্যই উঠে নাই, আপনি দাবী করছেন সকাল হয়ে গেছে। নতুন মাসের চাঁদই উঠে নাই, আপনি দ্বাবী করছেন নতুন মাস শুরু হয়ে গিয়েছে। আসলে এটি ভুল দ্বাবী।
এলাকা ভিত্তিক চাঁদ দেখতে হবে সেটার আরেকটা প্রমাণ হল, হাদিস দুটিতে আকাশ মেঘাচ্চন্ন বলে শব্দ ব্যাবহার করা হয়েছে। এবং এই মেঘাচ্ছন্নের জন্য বুখারি শরিফের হাদিসটাতে ৩০ দিন পূর্ন করতে বলা হয়েছে।
-এখন বলুন, জীবনে কোথাও শুনেছেন যে সারা পৃথিবীর আকাশ এক সাথে মেঘাচ্ছন্ন থাকে ? আবারো বলি এক সাথে কি সারা পৃথিবীর আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এমন কোন প্রমাণ কি আপনার কাছে আছে ? তাহলে আপনি নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করুন। উত্তর পেয়ে যাবেন।
আরো প্রমাণ দেখুনঃ
কুরাইব তাবেঈ বলেছেন, যে হারিসের কন্যা (লুবা-বা) তাকে শাম প্রদেশে সম্রাট মুআবিয়ার নিকট পাঠিয়ে দিলেন। অতঃপর আমি শামে এসে তাঁর প্রয়োজন সমাপন করলাম এবং আমার শামে থাকা অবস্থায় রামাযানের নতুন চাঁদ উদয় হল এবং আমি বৃহস্পতিবারের দিবাগত সন্ধ্যায় চাঁদ দেখলাম, তারপর মদীনা আসলাম; অতঃপর আমাকে আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) জিজ্ঞেসা করলেন যে, তোমরা (রামাযানের) চাঁদ কবে দেখেছ? আমি বললাম, জুমুআ রাত্রিতে; পুনরায় বললেন যে, তুমি নিজে দেখেছ? আমি বললাম, জি হ্যাঁ এবং অন্যান্য লোকেও দেখেছে এবং মুআবিয়া ও শামবাসীরা রোযা রেখেছেন। ইবনে আব্বাস (রাঃ) বললেন, আমরা কিন্তু শুক্রবারের দিবাগত সন্ধ্যায় চাঁদ দেখেছি, অতএব আমরা রোযা রাখতেই থাকব। ৩০-এ পর্যন্ত কিংবা ৩০শের পূর্বে ২৯শে চাঁদ দেখা পর্যন্ত। আমি বললাম, আপনি কি মুআবিয়ার চাঁদ দেখা ও তাঁর রোযা রাখার উপর নির্ভর করতঃ রোযা ও ঈদ করবেন না? ইবনে আব্বাস (রাঃ) বললেন, না; এটাই আমাদেরকে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আদেশ দিয়েছেন যে আমরা আপন দেশের লোকের চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করব; অন্যান্য দূর দেশবাসীদের চাঁদ দেখাকে আমরা যথেষ্ট মান্য করব না।”[মুসলিম শরিফ]
তারপরও আমি আরেকটু আগাবো,
১ ধরুন, হাজার বছর আগে কিছু সাহাবী এবং তাবেয়ীন ভারতে এসেছেন। তারা চাইলেও চাঁদ আরবে দেখা গিয়েছে কিনা তা জানতে পারবেন না। সেহেতু তারা চাঁদ দেখেই ঈদ করেছেন বলা যায়।
২ ধরুন, রাসূল সাঃ ঐ সময় জীবিত ছিলেন। তাহলে উপরের ঘটনা রাসূল কর্তৃক রেটিফাই কৃত।
৩ বাংলাদেশে আমাদের যত পূর্ব পুরুষ ছিলেন তারা সকলেই চাঁদ দেখে ঈদ করেছেন। তাই তারা একসাথে সকলেই ভুল ছিলেন তা হতে পারে না। যেমন- শাহাজালাল রহ, শাহা পরান রহ:, নাসীর উদ্দোন রহ, কুতুবুল আউলিয়া।
৪ মুসলিম বিশ্বে চাঁদ দেখেই ঈদ করে দেখা যায়, সে হিসাবে এটাও একটা দলিল, এবং কোন লিখিত দলিলের চেয়ে দলিলগত শুদ্ধতার বিচাররে বড় রকমের দলিল। কারণ এই দলিল কেউ করাপ্ট করার সুযোগ নেই।
মুসলিম বিশ্বের সকল দেশের ট্রেডিশনের উপর এবং পূর্বের মানুষের উপর ভিত্তি করে যে দলিল তৈরি হয়, সেই দলিল অনুযায়ী আমাদের এলাকা ভিত্তিক চাঁদ দেখতে হবে। এটাও বুখারি শরিফের মত একটি শক্তিশালী দলিল।
এখন প্রশ্ন হল এই চাঁদ নিয়ে কি কোন কেয়ার লেসের ব্যাপার আছে। নাহ নেই, দেখুনঃ
নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তোমরা রমজান মাসের একদিন বা দুই দিন আগে থেকে রোজা রেখ না। তবে কারও যদি আগে থেকেই কোনো নির্দিষ্ট দিন রোজা রাখার অভ্যাস থাকে এবং ঘটনাক্রমে সে দিনটি ২৯ ও ৩০ শাবান হয় তাহলে সে ওইদিন রোজা রাখতে পারে।—সহিহ বুখারি ১/২৫৬, হাদিস : ১৯১৪
আয়েশা (রা) বলেন, “মুহাম্মাদ (সা) শাবানের মাসের দিন গণনার ক্ষেত্রে অতিশয় সাবধানতা অবলম্বন করতেন এবং তিনি যখনই নতুন চাঁদ দেখতে পেতেন তখন রোযা শুরু করতেন। আর যদি নতুন চাঁদ না দেখতে পেতেন তাহলে শাবান মাসের ত্রিশ দিন পূর্ণ করে রোযা রাখতেন”
[আবু দাউদ, হাদীস নং ২৩১৮]
নিচে একটি হাদিস দিলাম, যা থেকে ভিন্ন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, হাদিসটি হলঃ
“ঐ দিন রোযা আরম্ভ হবে যেদিন সকলে রোযা রাখবে, রোযা ভাঙ্গতে হবে ঐ দিন যেদিন সবাই রোযা ভাঙ্গে আর কুরবানি করতে হবে ঐ দিন যে দিন সকলে কুরবানী করে”
[তিরমিযী, হাদীস নং ৬৯৭]
এই হাদিস কি উপরের হাদিস গুলির কন্ট্রাডিকশনে যায়? যায় না। কারণ এলাকা ভিত্তিক হলে সবাই একই সাথে রোযা রাখবে, রোযা ভংগ করবে। হাদিসটি ভাল করে লক্ষ্য করলে দেখবেন হাদিসের পিছনে একটি ঘটনা আছে, যা আমার অজানা। (হাদিস বিশেষজ্ঞ কেউ হয়ত জেনে থাকবেন)
ঐ অজানা ঘটনার ভিত্তিতে আপনি সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন। বরং এই হাদিস সবার ঐক্যমত করার অর্থই প্রকাশ করে। কিন্তু আমার উপরে দেওয়া আল কুরানের আয়াতের ভিত্তিতে দেখলে বুঝতে পারবেন, দিন বলতে চাঁদের হিসাবে যে দিন সেই দিনই বলা হয়েছে। এবং সেই দিন সারা পৃথিবীতে একই থাকে, কিন্তু সূর্যের হিসাবে ভিন্ন হয়।
-স্পেশাল কিছু ক্ষেত্রে উপরের হাদিসের সহযোগিতা নিতে পারেন, এমন কোথাও থাকেন যে চাঁদ দেখার মত ক্ষমতা নেই কিংবা এত মানুষ নেই, সে জন্য চাঁদ না দেখে অন্য কোন দেশের সাহিক ঐক্যমতের ভিত্তিতে কিছু করলেন। এটা হচ্ছে আইনের ব্যাতীক্রম।
এলাকা ভিত্তিক রোজা করার আরেকটি প্রমাণ হল নামাজ। আমরা এলাকা ভিত্তিকই নামাজ পড়ি, সারা পৃথিবী একসাথে নয়। এবং দেখুন এটা এলাকা ভিত্তিক না হলে কিভাবে মানবেন, সব এলাকায় একই সাথে সকাল হয় না।
“আর পানাহার কর যতক্ষণ না কাল রেখা থেকে ভোরের শুভ্র রেখা পরিষ্কার দেখা যায়। অতঃপর রোযা পূর্ণ কর রাত পর্যন্ত” [বাকারাঃ ১৮৭]
-নোটেড পয়েন্ট এটা রোজার রাখার নিয়ম, তারিখ গননার নিয়ম উপরের আয়াতে বর্নিত আছে।
শেষমেষ কিছু প্রশ্নঃ
১ এমন কোন হাদিস আছে কি যাতে বলা হয়েছে সৌদি আরবকে দেখে রোজা এবং ঈদ করতে হবে ?
২ এমন কোন প্রমান আছে যেখানে রাসূল সাঃ এস্ট্রলজিস্টদের কিংবা প্রাচীন কোন দূরবিক্ষন যন্ত্রের সহযোগিতা নিয়ে ঈদ করেছেন ? এখানে বিবেচ্য যে যারা পিরামিড বানিয়ে ছিল, তারাও জ্যাতীবিদ্যা সম্পর্কে জ্ঞান রাখত। রাসূল সাঃ একজন ঐ রকম এস্ট্রলজিস্ট কিংবা দুরবীন জাতীয় কিছু প্রাচীন যন্ত্র যোগার করিতে পারার ক্ষমতা খুব সম্ভবত রাখতেন।
৩ কোন সাহাবী কিংবা তাবেয়ীন, আরবের বাহিরে থেকে মক্কায় যখন ঈদ সেই খবর কোন ক্রমে যেনে সে অনুযায়ী ঈদ করেছেন কি না ?
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা একটি কৃত্রিম জিনিস। দেখা যায় যদি সারা পৃথিবীতে সূর্যের হিসাবে একই সাথে ঈদ করে, তাহলে যখন হাওয়াইয়ের মানুষ যে দিন ঈদ করছে, ফিজির মানুষ তার আগের দিন ঈদ করবে। কারণ, হাওয়াইয়ে যখন সোমবার, ফিজিতে তখন মংগলবার। তাইলে একসাথে ঈদ কিভাবে সম্ভব ? হাওয়ায়ের আকাশে যে সূর্য একই সূর্য একই সময় ফিজিতে কিন্তু ফিজি একদিন আগে নিজেদের ধরে আর হাওয়াই একদিন পরে ধরে।
-ক্যাথলিকদের ক্রিসমাস আর অর্থডক্সদের ক্রিসমাস একই সাথে হয় না। জানেন তো কেন ?
সাদাত ভাইয়ের ভাষায় বলি, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় অনৈক্যের বীজ ঐক্যের নামেই রোপন করা হয়। এতদিন যাবত রমযান, ঈদ এসব নিয়ে কোন সমস্যা ছিল না। সারা পৃথিবীতে এক সময়ে ঈদ না হলেও একই অঞ্চলে একই সময়ে ঈদ হতো। এখন হঠাৎ করে ঐক্যের নামে নতুন একটা মতবাদ দাঁড় করিয়ে দেখা যাচ্ছে একই এলাকার লোকজন ভিন্ন ভিন্ন দিনে ঈদ করছে!! এই হচ্ছে ঐক্যের নমুনা!
-আল্লাহ পাকই সব থেকে ভাল জানেন। তিনি আমাদের ক্ষমা করুন। আমিন।

উত্স

মতামত দিন